চাঁপাইনবাবগঞ্জের এসপি কে বদলীর চেষ্টায় মরিয়া মাফিয়া চক্র

0

তারেক আজিজ: চাঁপাইনবাবগঞ্জে দ্বায়িত্বরত পুলিশ সুপার টি.এম মোজাহিদুল ইসলাম কে বদলী করতে উঠে পড়ে লেগেছে মাফিয়া চক্র। নির্ভরযোগ্য সুত্রে পাওয়া তথ্য মতে মাদক ও অস্ত্র ব্যাবসায়ীরা যে কোন মূল্যে বদলী চান এসপির। পুলিশ আতঙ্কে হাত পা গুটিয়ে বসে থাকা বৈধ সাইনবোর্ডে চালিয়ে যাওয়া অবৈধ ব্যাবসায়ী, চোরাকারবারি, মাদক সম্রাট, হুন্ডি ব্যাবসায়ী সহ আত্নগোপনে থাকা মাফিয়ারা পুলিশ সুপারকে বদলীর জন্য কোটি টাকা ব্যয় করতে প্রস্তুুত।

রাষ্ট্রের আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত জেলা পর্যায়ের শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তকে বদলী করতে অস্ত্র এবং মানিলন্ডারিং সিন্ডিকেট, গরু চোরাচালানকারী ও মাদক সম্রাটরা এক টেবিলে। সম্প্রতি অবৈধ অস্ত্রের চালান আটকের পর দিশেহারা হয়ে পড়েছে মাফিয়া চক্র।

মূলত অস্ত্র আর মাদক চোরাচালান বন্ধ হওয়ায়, হুন্ডি ব্যাবসায়ীরা রিজার্ভ অর্থ কাজে লাগাতে পারছেনা। হুন্ডির টাকা মধ্যপ্রাচ্য থেকে ভারত হয়ে গরু, মাদক আর অস্ত্র হয়ে প্রবেশ করে বাংলাদেশে। অবৈধ অস্ত্র আর মাদকের প্রধান রুট হওয়ায় আন্তর্জাতিক মাফিয়াদের টার্গেট চাঁপাইনবাবগঞ্জ। পুলিশের কঠোর অবস্থানের কারনে মাদক চোরাচালান অসম্ভব হয়ে পড়ছে। বর্তমানে শহরের চিহ্নিত মাদক স্পটগুলো পুলিশের নিয়ন্ত্রনে আর ব্যাবসায়ীরা আত্নগোপনে।

তবে ডাকাত ও মাদক ব্যাবসায়ীর মত অপরাধীদের সাবধান করার উদ্দেশ্যে কঠোর ভাষায় বক্তব্য দিয়ে বেকায়দায় পড়েন পুলিশ সুপার। অপরাধীদের সাবধান করতে গিয়ে আদালতের কাছে ক্ষমা চাইতে হয় তাকে। আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে থাকা এই ইস্যুটিকেও কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছে মাফিয়া চক্র। অনুসন্ধানে আরও জানাযায় ২২ টি অস্ত্র আটক মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত এস আই আব্দুল করিম কেউ বদলীর চেষ্টা করছেন অস্ত্র ও মাদক সিন্ডিকেটের হোতারা।

আর এ চক্রের সাথে জড়িত জনপ্রতিনিধি, পাতি নেতা, প্রভাবশালী সাংবাদিক, মানিলন্ডারিং সিন্ডিকেট,ও চোরাকারবারি। নিরাপত্তার সার্থে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গনমাধ্যম কর্মী বলেন- চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত এলাকার চিহ্নিত মাদক সম্রাট প্রায় ৪২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট দেশে প্রবেশ করালেও পুলিশের নজরদারির কারনে পাচার করতে পারছেনা। ফলে অপরাধ জগতের গডফাদারদের প্রধান নিশানা খোদ পুলিশ সুপারের দিকে।

অস্ত্র ও মাদক সিন্ডিকেট হোতারা আত্নগোপনে থেকে প্রশাসনে বদলীর জোর তদ্ববির চালিয়ে যাচ্ছে। কারাগারে থেকেও বদলী তদবিরে দিকনির্দেশনা দিচ্ছে একাধিক মাদক ব্যাবসায়ী। পরিচয় গোপন করে চিহ্নিত একাধিক মাদক ব্যাবসায়ীদের সাথে আলাপ করে এসব তথ্য পাওয়া যায়। তারা দাম্ভিকতার সাথে বলছে পুলিশের যে কোন অফিসার কে বদলীর ক্ষমতা আছে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ