চাঁপাইনবাবগঞ্জের গৌড় নগরীর ঐতিহাসিক স্থাপনা হুমকির মুখে

0

চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে গৌড়ের স্মৃতিচিহ্ন

হুমকির মুখে গৌড়ের ইতিহাস সমৃদ্ধ জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জের অনেক ঐতিহাসিক স্থাপনা। অযত্ন অবহেলায় ধ্বংস হতে বসেছে বেশীর ভাগ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। সংশ্লিষ্ট দপ্তর ছোট পরিসরে দু’একটি পুরাকীর্তি সংস্কার করলেও বেশীর ভাগই পড়ে আছে অবহেলায়। এমন অবস্থায় এসব ঐতিহাসিক স্থাপনা ও নিদর্শন দ্রুত সংস্কারের দাবি জেলাবাসীর।

গৌড়, এক সময়ের বাংলার রাজধানী। পাণিনির ব্যাকরণে, কৌটিল্যের অর্থ শাস্ত্রে বাৎসায়নের কামসূত্রে এ জনপদের নাম পাওয়া যায়। ৪৫৫ খ্রীষ্টাব্দে গুপ্ত রাজবংশ থেকে ১২২৭ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বলবনের শাসনামল ও পরবর্তীতে সময় পর্যন্ত ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অঞ্চল। যার কিছু অংশ পড়েছে বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদায়।

প্রাচীন জনপদটির নানা স্থাপনা ছড়িয়ে রয়েছে জেলা জুড়ে। এগুলোর মধ্যে ঐতিহাসিক ছোট সোনামসজিদ মুসলিম স্থাপত্য শিল্পের এক অপূর্ব নির্দশন। এটি সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের আমলে ওয়ালী মুহাম্মদ কর্তৃক নির্মিত হয় ১৪৯৩ থেকে ১৫১৯ খ্রীষ্টাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে।

এর পাশেই রয়েছে শাহ সুজার নির্মান করা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ইমারত তোহাখানা। আরো আছে মোঘল আমলের মসজিদ ও শাহনেয়ামতুল্লাহ’র মাজার। কিন্তু নিরাপত্তা ও সঠিক রক্ষণাবেক্ষনের অভাবে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে এসব ইতিহাস।

শিবগঞ্জ উপজেলার মকরপুরে প্রাচীন স্থাপত্যকলার আরেক নিদর্শন দারাসবাড়ি মসজিদ। মধ্যযুগীয় এ সুবৃহৎ স্থাপনাটি বর্তমানে ভগ্নদশায়। হারাতে বসেছে অস্তিত্ব।

জেলার আরো ঐতিহাসিক স্থাপনার মধ্যে রয়েছে কানসাটের পুরনো জমিদার বাড়ি, 

দাদনচর মসজিদ, নীলকুঠি, ভোলারহাটের চামচিকা মন্দির, রজনপুরের মাহান্ত বাড়ি।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ