অ্যাপলের নেতৃত্বে লিঙ্গ ও বর্ণবৈষম্য প্রকট

0

অ্যাপলের উচিত দ্রুত কাজ করা। তবে বাজারে নতুন আইফোন ছাড়ার জন্য নয়, বরং প্রতিষ্ঠানের উচ্চপর্যায়ে বৈষম্য কমাতে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। অ্যাপল কম্পিউটার উচ্চপর্যায়ের ইনকরপোরেটেডের নেতৃত্বে শ্রেণিবৈষম্য প্রকট। পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা খুব কম। অন্যদিকে শ্বেতাঙ্গের আধিক্য। তবে নেতৃত্বের নিচের দিকে এবং কর্মী পর্যায়ে লোকবল নিয়োগে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করে আসছে অ্যাপল।
অ্যাপলের এই লিঙ্গ ও বর্ণবৈষম্যের অন্যতম কারণ হলো উচ্চপর্যায়ে প্রতিষ্ঠানটির ভেতর থেকেই নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে একজন কর্মকর্তার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট কিংবা সি-লেভেল নির্বাহী হিসেবে নিয়োগ পেতে অ্যাপলে অনেক সময় কয়েক দশক ধরে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। অর্থাৎ যাঁরা এই পর্যায়ে যাচ্ছেন তাঁরা হয়তো ২০ থেকে ৩০ বছর আগে অ্যাপলে যোগ দিয়েছেন। চিফ ডিজাইন অফিসার জনি আইভকে যেমন ২৫ বছর আগে অ্যাপলে নিয়োগ দিয়েছিলেন স্টিভ জবস। তাঁদের শুরুর সময়ে চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে লিঙ্গ কিংবা বর্ণসমতা বজায় রাখা নিয়ে এত সচেতন ছিল না কেউ।
সম্প্রতি টনি মালদোনাদো নামের এক বিনিয়োগকারীর নেতৃত্বে অ্যাপলের শেয়ারহোল্ডারদের একটি ছোট দল কর্মকর্তা নিয়োগের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করার প্রস্তাব দিয়েছে। তাদের এই প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে কি না, তা নিয়ে শেয়ারহোল্ডাররা শিগগিরই ভোট দেবেন।
বর্ণবৈষম্য দূর করতে অ্যাপলে এই প্রথম এত বড় প্রস্তাব আনা হলো। তবে গত বছর শেয়ারহোল্ডারদের এক সভায় একই ধরনের প্রস্তাব আনা হয়েছিল। তবে তাতে ৫ দশমিক ১ শতাংশ ভোট পড়ায় সেবার প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হয়নি। তবে সেই পরিমাণ ভোট প্রস্তাবটি পুনর্বিবেচনার জন্য যথেষ্ট ছিল। আর এ কারণেই হয়তো নতুন এই প্রস্তাবের ওপর ভোট গ্রহণের আয়োজন করা হচ্ছে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

ব্রেকিং নিউজঃ