তথ্য না পেয়ে অভিযোগ, কমিশনে শুনানি

0

প্রথম আলোয় গত সেপ্টেম্বরে জনগুরুত্বপূর্ণ তিনটি সংবাদ প্রকাশের পর গৃহীত পদক্ষেপের বিষয়ে জানতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করা হয়। নির্দিষ্ট সময়ে জবাব না পেয়ে তথ্য কমিশনে অভিযোগ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত সোমবার উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে কমিশনে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
সেপ্টেম্বরে সাভারের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ১০টি কোরবানির পশুর অবৈধ হাট বসে। গত ১১ ও ১২ সেপ্টেম্বর যথাক্রমে প্রথম আলোয় ‘সাভার-আশুলিয়ায় পশুর অবৈধ হাটের ছড়াছড়ি’ ও ‘আশুলিয়ায় পশুর অবৈধ হাট উচ্ছেদ হয়নি’ শিরোনামে দুটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপরও জেলা ও উপজেলা প্রশাসন থেকে অবৈধ হাট বন্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় হাট বন্ধসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এবং ব্যবস্থা নেওয়া হয়ে থাকলে কী ধরনের নেওয়া হয়েছে, তা জানতে চেয়ে তথ্য অধিকার আইনে প্রথম আলোর পক্ষ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে আবেদন করা হয়। একই দিন ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে ২০ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ‘ধামরাইয়ে অর্পিত সম্পত্তি ইজারা নিয়ে বিক্রি’ শীর্ষক সংবাদ প্রকাশের পর সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা জানতে চেয়ে আবেদন করা হয়। নির্দিষ্ট সময়ে তথ্য না পেয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার বরাবর আপিল করা হয়। আপিলেও জবাব না পেয়ে ২৬ ডিসেম্বর তথ্য কমিশনে অভিযোগ করা হয়। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার কমিশনে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
শুনানিতে অংশ নিয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তথ্য পেতে আবেদনকারীকে (এ প্রতিবেদক) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পুনরায় আবেদন করার জন্য পত্র দেওয়া হয়েছে। তবে এ-সংক্রান্ত কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি আবদুর রাজ্জাক। আর ঢাকার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌহিদ এলাহী তথ্য সরবরাহ না করার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
শুনানি চলাকালে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তথ্য সরবরাহ না করার উপযুক্ত কোনো কারণ উপস্থাপন করতে না পারায় উভয় পক্ষের বক্তব্য উপস্থাপনের পর আগামী ১৪ কর্মদিবসের মধ্যে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে কাঙ্ক্ষিত তথ্য সরবরাহের সিদ্ধান্ত হয়। তবে ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো সুরাহা হয়নি। এ জন্য আগামী ১২ এপ্রিল পুনরায় শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। ওই দিন ভূমি ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের শুনানিতে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
শুনানিতে প্রধান তথ্য কমিশনার গোলাম রহমান, তথ্য কমিশনার নেপাল চন্দ্র সরকার, খুরশীদা বেগম সাঈদসহ কমিশনের অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সুত্র- প্রথম আলো

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ