ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিদ রানা টিপু ওরফে টিপু সুলতানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে । অভিযোগ রয়েছে ভারত থেকে আসা প্রতিটি গরুতে গুনতে হয় চাঁদা। তিনি নিজস্ব ক্যাডারদের দিয়ে অতিরিক্ত টাকা বিভিন্ন অজুহাতে ব্যাবসায়ীদের কাছ থেকে আদায় করছেন। জানা যায়- সংসদ সদস্য, পুলিশ সুপার, ওসি সহ বিভিন্ন মহলের নামে চাঁদা আদায় করে থাকেন। গরু ব্যবসায়ীরা জানান গরুর লাইন চালু রাখতে এমপি থানা পুলিশ আর উপর মহলকে মেনেজ করতে প্রতি গরুতে ৫০০ টাকা দিতে হয় টিপুকে। সম্প্রতি উদ্বোধন হওয়া কাস্টম হাউসকে নিয়ন্ত্রন করে চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। বিভিন্ন গরু ব্যবসায়ীর নামে ভারত থেকে গরু আসলেও টিপু সুলতানের নিযুক্ত লোকদের মাধ্যমে কাস্টমস থেকে কাগজ নিতে হয় ব্যবসায়ীদের। ভারত থেকে আসা গরু ব্যবসার একক নিয়ন্ত্রন ইউপি চেয়ারম্যান টিপুর। অবৈধ টাকা ও দলীয় ক্ষমতার দাপটে বেপরোয়া ভাবে চলছে তার লাগামহীন চাঁদাবাজি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নির্ভরযোগ্য সুত্র জানিয়েছে কালো টাকার জোরে সব কিছুই তার পকেটে। রাজনৈতিক নেতা, পুলিশ আর সাংবাদিক তার নিয়ন্ত্রনে। সাংবাদিক সংগঠন, প্রভাবশালী সাংবাদিক, ক্ষমতাশীল দলের নেতা ও পুলিশের সাথে রয়েছে মাসোহারা লেনদেন। ভারতীয় গরু নিয়ে চাঁদাবাজি সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রক টিপু সুলতানের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। উত্তর বঙ্গের আলোচিত এই মাদক সম্রাট বিভিন্ন অপর্কম চালালেও নির্বিকার প্রশাসন। এ বিষয়ে শাহিদ রানা টিপু ওরফে টিপু সুলতান তার বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ অস্বিকার করে বলেন আমি সরকারি টাকা আত্নসাৎ বা চাঁদাবাজি করার জন্য চেয়ারম্যান হয়নি। মসজিদ মাদ্রাসার উন্নয়ন ও এলাকার রাখালদের মাঝে সঠিক বন্টনের উদ্দেশ্যে কাস্টমস সহ একসাথে ১৩০০ টাকা নেওয়া হয়। তার একাধিক প্রভাবশালী সাংবাদিকের সাথে ভাল সম্পর্ক রয়েছে জানিয়ে প্রতিবেদককে চুপচাপ থাকার পরামর্শ দেন। এ সময় তিনি এক পুলিশ সদস্যকে উদ্দেশ্য করে, ও আমার কিছুই করতে পারবেনা বলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।

Please follow and like us:

Related posts

Leave a Comment