যুবদল নেতা টিটু‘র সাথে পালায়নি, ভাইয়ের যন্ত্রনায় বাড়ী ছেড়েছিল সুন্দরী মেরিনা

আলোকিত সময় :পরকীয়া নয়,ভাইদের যন্ত্রণায় ঘর ছেড়েছিলেন বলে দাবি করেছেন মেরিনা ইসলাম রীনা। আর যুবদল নেতা শহিদুল ইসলাম টিটুকে চিনলেও তার সাথে পালিয়ে যাওযার তথ্যটি সত্য নয়। একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালের প্রতিনিধির সাথে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ তথ্য জানান। ফলে আলোচিত এই রীনাকে নিয়ে ফতুল্লা¬ থানা যুবদল সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটুর পালিয়ে যাওয়া নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে যে গুঞ্জন চলছিল তার আপাতত সমাধান হয়েছে।

সম্প্রতি যুবদল সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটুর সাথে ঘর ছেড়েছেন বলে অভিযোগ তুলে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন রীনার ভাই আজিজুল। কিন্তু ঘটনার তিন দিন পর সেই রীনা নিজে থানায় এসে হাজির হয়ে জানালেন ‘পরকীয়া’ নয়, বরং নিজের নিরাপত্তার স্বার্থেই ভাইয়ের বাড়ি ছেড়েছিলেন তিনি।
২২ এপ্রিল শনিবার রাতে মেরিনা ইসলাম রীনা নিজে একজন আইনজীবিকে সাথে নিয়ে থানায় হাজির হন। রীনার উপস্থিতির পর পুলিশ অভিযোগকারী আজিজুলকেও থানায় ডেকে পাঠান। আইনজীবি ও তার ভাইয়ের (আজিজুল) সামনেই রীনা জানান যে, ভাইদের মানসিক ও শারীরিক যন্ত্রনা থেকে বাঁচার জন্যই তিনি ঘর ছেড়েছেন। তিনি থানা যুবদল সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটুকে চিনলেও তার সাথে পালিয়ে যাননি। তার সম্মানহানী করতেই তার ভাই এমন অভিযোগ করেছেন।
এদিকে পালিয়ে যাওয়া রীনা আরো জানান, ‘আমার স্বামীর সাথে আমার বিচ্ছেদ হয়েছে চার মাস আগে। বিচ্ছেদের পর ছোট ভাই আজিজুলের পোস্তগোলার বাড়িতে থাকতাম। কিন্তু তারা বিষয়টি মানতে পারেননি। আমাকে তালাকপ্রাপ্ত স্বামীর বাড়িতে আবারো দেয়ার জন্য নানা ষড়যন্ত্র শুরু করেছিল। স¤প্রতি আমি বুঝতে পারি যে, আমার ভাই ও বোনেরা মিলে আমার পূর্বের স্বামীর সাথে ফোনে যোগাযোগ করে তাকে দেশে আসতে বলছে এবং আমাকে তুলে দেবে বলে প্রতিশ্রæতি দিয়েছে। বিষয়টি আমি টের পেলে আমার ভাই ও বোনেরা মিলে আমাকে একপ্রকার গৃহবন্দি করে ফেলে। তারা আমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন শুরু করে। অবশেষে নিজের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে আমি এক কাপড়ে ঘর ছেড়ে এক আত্মীয়ের বাড়িতে চলে আসি। যদিও নিজের নিরাপত্তার কারনে সে আত্মীয়র নাম আমি প্রকাশ করতে চাচ্ছি না।’
থানা যুবদলের সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটুর সাথে পালানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘টিটু ভাইয়ের সাথে আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক। যে কোনো বিপদে সে অন্যদের মতো আমাদেরও সহযোগিতা করতো। আমি আসলে এ ধরনের ঘটনায় সত্যিই লজ্জিত। তাকে যেভাবে হেয় করেছে আমার ভাই, তাতে ক্ষমা চাওয়া ছাড়া আর কিছুই করার নেই।’

Please follow and like us:

Related posts