পেয়ার মোহাব্বত শরবত!

অনলাইন ডেস্ক : বৈশাখ মাসের কাঠফাটা রোদে পিচঢালা রাস্তায় দাঁড়িয়ে হয়তো ভাবছেন একটু ঠাণ্ডা শরবত হলে জীবনটা এই মুহূর্তে স্বার্থক হয়ে যায়। আশেপাশে তাকিয়ে হয়তো দেখলেন লেবুর শরবত নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন একজন বিক্রেতা। একবারের জন্য কি মনটা ছটফট করবে না পেয়ার মোহাব্বত শরবতের জন্য? পেয়ার মোহাব্বত শরবত? অবাক হয়ে ভাবছেন এ আবার কি নাম। খুবই ‍ভিন্ন ধরণের এই শরবত যদি আপনি পেতে চান তবে অবশ্যই আপনাকে যেতে হবে পুরানো দিল্লিতে।

রুহআফজা, দুধ, চিনি, তরমুজ ও প্রচুর পরিমাণের ভালোবাসা দিয়ে তৈরি এই পেয়ার মোহাব্বত শরবত। পুরানো ঢাকার মতো পুরানো দিল্লিও ভিন্ন ধরণের এবং ঐতিহ্যবাহী খাবারে জন্য বিখ্যাত। সম্প্রতি পেয়ার মোহাব্বাত শরবত দিল্লিবাসীর এই গরমে তৃষ্ণা মেটাতে সাহায্য করছে।
পুরানো দিল্লির জামে মসজিদের বিপরীত পাশে একটা ছোট ঠেলাগাড়ি নিয়ে নবাব কোরেশি এই নতুন ধরণের শরবত বিক্রি করেন। তিনি ছিলেন উত্তর প্রদেশের স্থানীয় অধিবাসী। বছর দুই আগে তিনি দিল্লিতে আসেন ভাগ্য ফেরাতে। গরমের মধ্যে মানুষের তেষ্টা মেটাতে এই ঠাণ্ডা পানীয় তৈরী করা শুরু করেন। গোলাপ ফুলের সুগন্ধিযুক্ত দুধের সঙ্গে তরমুজ মিশিয়ে নিয়ে আসেন এই শরবতের সুন্দর গোলাপি রং।

গ্লাসের ভেতরে দুধ ও চিনির মিশ্রণ দিয়ে এরপর তরমুজ ও বরফ দিয়ে শরবতটি পরিবশেন করা হয়। তরমুজ তাজা তাজাই সবার সামনে কাটেন কোরেশি। ঠেলাগাড়ির ছাদে দুধের কার্টন সাজিয়ে রাখেন যেন এটার জন্য আবার অন্য কোথাও যেতে না হয়। রোজার সময় তার এই শরবত বিক্রি আরো বেড়ে যায় বলে জানান দিল্লিবাসীরা।

Please follow and like us:

Related posts

Leave a Comment