কন্ডোম ব্যবহারের যে ভুলগুলি আপনি করে থাকেন

জন্মনিরোধক ব্যবহার করার অন্যতম দুটি কারণ হল, অযাচিত গর্ভধারণ রোধ এবং যৌনবাহিত রোগ থেকে রক্ষা। আর সবচেয়ে কার্যকর নিরোধক হল কন্ডোম। বেশিরভাগই মনে করেন শারীরিক সম্পর্কের সময় ব্যবহার করলেই হল, এর বেশি আর কী জানার আছে। তবে যখন কন্ডোমের বিষয় আসে তখন বিভিন্ন রকম ভুলের বিষয়গুলোও চলে আসে। কারণ অনেক অজানা কারণে এই গর্ভনিরোধক ঠিকমতো কাজ নাও করতে পারে। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কন্ডোম ব্যবহারের যে ভুলগুলি আপনি করে থাকেন;

অনেকদিনের অব্যবহৃত:

বহুদিন ফেলে রাখা কন্ডোম ব্যবহার নিরাপদ নাও হতে পারে। আমেরিকার ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর সেক্সুয়াল হেল্থ প্রোমোশন সেন্টারের সহযোগী পরিচালক ও অধ্যাপক ডেবি হার্বনিক (পিএইচ ডি) বলেন, “যদি দেখেন আপনার সঙ্গী মানিব্যাগ থেকে কনডম বের করছেন, তবে সেটা বাদ দিয়ে নতুন ব্যবহার করুন। কারণ ঘরে পড়ে থাকা বা মানিব্যাগে থাকা কন্ডোমে অযাচিত ঘষা লাগা এবং গরম তাপমাত্রার কারণে কন্ডোমের কার্যকারিতা হারাতে পারে।”

আরও পড়ুন

কোন রাশি জাতকরা যৌনতায় সেরা?

সেন্সরের কাঁচিতে সেরা ১০ অন্তরঙ্গ দৃশ্য!

বেশি জায়গা না রাখা:

কন্ডোমের সামনের দিকে কিছুটা জায়গা বাড়তি থাকে। যেখানে শরীর থেকে বের হওয়া ‘তরল’ জমা হয়। বেশি আঁটসাঁট করে পরলে সঙ্গমের সময় কনডম ফুটা হয়ে যেতে পারে বা ফেটেও যেতে পারে।

ভুল মাপ:

বেশিরভাগ কন্ডোমই যে কোনও পুরুষের ক্ষেত্রে সঠিক মাপের হয়। তবে কারও যৌনাঙ্গ বেশি বড় আবার কারও ছোট হতে পারে। তাদের খেয়াল করতে হবে, যে মাপ ঠিকমতো লাগবে সেটা ব্যবহার করা। কারণ বেশি ঢিলা হলে কনডম সঙ্গমের সময় খুলে যেতে পারে। আর বেশি চেপে থাকলে ফেটে যেতে পারে।

আরও পড়ুন

সেরা পাঁচ যৌনতার বিশ্বরেকর্ড !

বৃষ্টির হট সিনে সেরা ১০ নায়িকা

ঋতুপর্ণা অভিনীত সেরা ১০ যৌনদৃশ্য

দেরিতে পরা:

সঙ্গমের সময় অনেকেই প্রথম থেকে কন্ডোম ব্যবহার করেন না। তারা মনে করেন একেবারে ‘শেষ পর্যায়ে’ পরে কাজ শেষ করবেন। তবে এই ভুলের কারণে অযাচিত গর্ভধারণ এবং যৌনবাহিত রোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। সম্প্রতি এক গবেষণা দেখা গিয়েছে, যেসব যুগল শারীরিক সম্পর্কের নিরাপত্তায় কনডম এবং পিল দুটোই ব্যবহার করেন তাদের মধ্যে ৫৯ শতাংশ পুরুষ সঠিকভাবে কনডম ব্যবহার করেন। বাকিরা হয় খুব দেরিতে পরেন অথবা বেশি আগে খুলে ফেলেন।

মেয়াদোত্তীর্ণ:

সব পণ্যের মতো কনডমেরও নির্দিষ্ট মেয়াদ থাকে। তবে ব্র্যান্ড ভেদে এক একটির মেয়াদ একেক রকম হয়। আর মেয়াদের মধ্যে থাকলেও সেটা ঠিক থাকবে, তাও নয়। কিছু কনডমে লুব্রিকেন্টের অন্যতম একটি উপাদান স্পারমিসাইড এছাড়াও থাকে গরম বা ঠাণ্ডা অনুভূতি আনবার উপাদান। এই ধরনের কনডমগুলো অন্যদের তুলনায় একটু আগে মেয়াদ শেষ হয়ে যেতে পারে। তাই যতটা সম্ভব নতুন কনডম ব্যবহার করে নিরাপদ থাকুন।

আরও পড়ুন!

পশ্চিম-দুনিয়ায় উত্তেজনা ছড়ানো কামসূত্রের অজানা 10 বিষয়!

মেয়েদের দেরিতে বিয়ে হলে কোন 7 মানসিক সমস্যা হয়?

কোন রাশি জাতকরা যৌনতায় সেরা?

 নীল দুনিয়ার অজানা ১০ অবাক করা তথ্য

পরকীয়া করতে সাহায্য করবে অ্যাপস

মিলনের আগে সঙ্গিনীর শরীর খুঁটিয়ে দেখা উচিত কেন?

Please follow and like us:

Related posts

Leave a Comment