‘জঙ্গি’ সুমাইয়া ১০ দিনের রিমান্ডে

0

রাজশাহী:  জেলার  গোদাগাড়ী উপজেলার হাবাসপুরের জঙ্গি আস্তানা থেকে গ্রেফতার সুমাইয়া বেগমের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন রাজশাহী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাইফুল ইসলাম।

আজ  রোববার সকালে গোদাগাড়ী মডেল থানার পরিদর্শক আলতাফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আদালতের কাছে সুমাইয়ার ১৫ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। পরে আদালত ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে গোদাগাড়ী মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক নাইমুল হক বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ওই মামলায় আসামি করা হয়েছে জঙ্গি আস্তানা থেকে আত্মসমর্পণকারী সুমাইয়া বেগম ও আত্মঘাতী বিস্ফোরণে নিহত পাঁচ জঙ্গিকে। অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরও ১৫ জনকে।

জঙ্গি আস্তানায় অভিযানের সময় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীকে হত্যা, পুলিশ সদস্যদের হত্যার চেষ্টা, পাঁচ জঙ্গি নিহত এবং জঙ্গি আস্তানা থেকে অস্ত্র, বিস্ফোরকদ্রব্য ও জিহাদি বই উদ্ধারের ঘটনায় থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি করা হয়।

উল্লেখ্য, বুধবার মধ্যরাত থেকে হাবাসপুর মাছমারা বেনীপুরের ওই বাড়িটি ঘিরে রাখে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরদিন সকালে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানের শুরুতেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে দমকল কর্মী ও পুলিশের ওপর হামলা চালায় জঙ্গিরা। পরে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে পাঁচ জঙ্গিসহ এক দমকল কর্মী মারা যান।

নিহত জঙ্গিরা হলো বাড়ির মালিক সাজ্জাদ হোসেন (৫০), তার স্ত্রী বেলী আক্তার (৪৫), তাদের ছেলে আল-আমিন (২০), মেয়ে কারিমা খাতুন (১৭) ও বহিরাগত জঙ্গি আশরাফুল ইসলাম (২৩)। শনিবার বিকেলে বেওয়ারিশ হিসেবে তাদের মরদেহ দাফন করা হয়।

জঙ্গি মামলায় আহত হন চার পুলিশ সদস্য। পরে নিহত জঙ্গি সাজ্জাদ আলীর বড় মেয়ে সুমাইয়া বেগম (২৮) তার দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। শুক্রবার দুপুরে জঙ্গি আস্তানায় চালানো অপারেশন ‘সান ডেভিল’ সমাপ্ত হয়। এ সময় উদ্ধার হয় অস্ত্র ও বোমা।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ