জন্মদিনে যেন ভার্জিন মেয়ে উপহার দেওয়া হয়- নাঈমকে বলেছিলেন সাফাত

অনলাইন ডেস্ক: শুধু মাত্র ব্যতিক্রম ঘটেছে আলোচিত দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর ক্ষেত্রে।  তাদের জন্মদিনের পার্টির কথা বলে নিয়ে গিয়েছিল সাফাত।
আলোচিত দুই ছাত্রীর ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার সাফাত আহমেদকে ভার্জিন মেয়ে উপহার দিতে চেয়েছিলেন নাঈম আশরাফ।  জন্মদিনে ফুর্তি করার জন্য প্রফেশনাল না এমন তরুণীর সঙ্গ চেয়েছিলেন সাফাত।  নাঈম সেভাবেই কৌশল করেছিলেন।

সাফাত নাঈমকে বলেছিলেন, জন্মদিনে যেন ভার্জিন মেয়ে উপহার দেওয়া হয় তাকে।  সে লক্ষ্যেই ৭ মার্চ থেকে টার্গেট শুরু হয়।  টার্গেট অনুসারেই রেইনট্রিতে নেয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে।  দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের সেই রাতে আরো তিন তরুণীর সঙ্গে কক্ষে অন্তরঙ্গ সময় কাটিয়েছেন সাফাত।  এর আগে শরীরে শক্তি বাড়াতে ইয়াবা সেবন করে নেয়।  তখন নাঈম ছাড়াও সাফাতের কয়েক বন্ধুকে হোটেলে ডেকে আনা হয়েছিল।  হোটেল কক্ষে বসেই মদ পান করেছিলেন তারা।

ডিবি কার্যালয়ে রিমান্ডে এ রকম বিভিন্ন তথ্য দিয়েছে সাফাত।  উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।  পুলিশকে সে জানিয়েছে, তার অগণিত বান্ধবীর কথা।  জিজ্ঞাসাবাদে তার মধ্যে ঘনিষ্ঠ অন্তত দুই ডজন বান্ধবীর তথ্য দিয়েছে সাফাত আহমেদ।

শুধু মাত্র ব্যতিক্রম ঘটেছে আলোচিত দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর ক্ষেত্রে।  তাদের জন্মদিনের পার্টির কথা বলে নিয়ে গিয়েছিল সাফাত।  আর ভয়ভীতি দেখিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে লুটে নেয় ইজ্জত।  এতেই ঘটে বিপত্তি।

সাফাত পুলিশকে জানিয়েছে, তার অগণিত বান্ধবীর কথা।  জিজ্ঞাসাবাদে তার মধ্যে ঘনিষ্ঠ অন্তত দুই ডজন বান্ধবীর তথ্য দিয়েছে সাফাত আহমেদ।

যাদের সঙ্গে বনানীর কয়েক হোটেলে প্রায়ই দিনে-রাতে সময় কাটিয়েছে সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ।  বান্ধবীদের প্রায় সবাই মডেল, উপস্থাপক, অভিনেত্রী, শিল্পী হিসেবে পরিচিত।  প্রথম শ্রেণির কয়েক মডেল ও অভিনেত্রীর নামও রয়েছে এই তালিকায়।

নির্যাতিতা এক তরুণী জানিয়েছেন, হোটেল কক্ষে মদের গ্লাস এগিয়ে দিয়েছিল নাঈম আশরাফ।  মদ পান করতে অসম্মতি জানালে নাঈম জোর করেই তাদের মদ পান করায়।  একপর্যায়ে নাঈমই বলেছিল শুরু করা যাক।  তখন দুই তরুণী বাধা দিলে তাদের সঙ্গী বন্ধু চিকিৎসকের গার্লফ্রেন্ডকে গ্যাং রেপ করা হবে বলে হুমকি দেয়।  এমনকি ওই তরুণীর হাত ধরে কাছে টেনে আনে নাঈম।  ওই চিকিৎসক তখন কান্নাকাটি করে তার বান্ধবীকে রক্ষা করতে চান।  তখন ওই দুই তরুণীও চিকিৎসকের বান্ধবীকে নির্যাতন না করার অনুরোধ করেন।  সাফাত এতে রাজি হলেও নাঈম আশরাফ চেয়েছিলেন পর্যায়ক্রমে তিন তরুণীকে ধর্ষণ করতে।  সাফাতের নির্দেশে শাহরিয়ার ওই তরুণীকে অন্য কক্ষে আটকে রাখে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে সাফাত আহমেদের বেপরোয়া জীবনযাপন সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে গাড়িচালক বিল্লাল।  সেই সঙ্গে গানম্যান রহমতের কাছ থেকে ওই রাতের ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।

সাফাত আহমেদ জানিয়েছেন, বন্ধুদের উৎসাহে মাঝে মধ্যে পার্টি দেয়া হতো।  এসব পার্টিতে অনেকেই অংশ নিতো।  কোনো কোনো অভিনেত্রী, মডেল তার সঙ্গে দেশের বাইরে যেতে স্বেচ্ছায় প্রস্তাব করতেন।  দুইজন আইটেম গার্ল ও একজন প্রতিষ্ঠিত মডেল ও দুইজন অভিনেত্রীর সঙ্গে ভারত ও মালয়েশিয়ায় অন্তরঙ্গ সময় কাটিয়েছিলেন সাফাত আহমেদ।  সর্বশেষ মার্চে কলকাতায় একজনের সঙ্গে ছিলেন কয়েকদিন।

বনানী ও গুলশানের কয়েকটি হোটেলে ছিল তাদের রাতের আড্ডা।  গুলশান-২ এর একটি হোটেলে ওই ঘটনার কয়েকদিন আগে ২৬শে মার্চ দুই মডেলের সঙ্গে মদের আড্ডা দিয়েছিলেন সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ।  সেখানে প্রভাবশালী এক নেতার ছেলেও অংশ নিয়েছিলেন।

সাফাত দাবি করেছেন, তাদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেয়া হতো।  এমনকি নগদ টাকা দেয়া হতো অনেক মেয়েকে।  বান্ধবীদের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছিলো তার।  একবার তার সঙ্গে সাক্ষাতের পর প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে মেয়েরাই তাকে কল করে কথা বলতো।  তারমধ্যে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।  এসব তরুণীদের সঙ্গে পরিচয়-সম্পর্কের সূত্রপাত করিয়ে দিতো নাঈম আশরাফ।

সাফাত আহমেদের কললিস্ট থেকে গোয়েন্দারা অনেক তরুণীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের প্রমাণ পেয়েছে।  সূত্রমতে, তাদের মধ্যে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এক মডেলের বাসায় গিয়ে আড্ডা দিতেন সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ।

সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলতো তাদের আড্ডা।  জিজ্ঞাসাবাদে সাফাতের দেয়া তথ্যমতে, যখন কোনো পার্টির আয়োজন করা হতো তখন পার্টিতে স্বেচ্ছায় অংশগ্রহণ করতে চাইতো অনেকে।  তাদের সবাইকে একসঙ্গে ডাকা সম্ভব হতো না।  তাই বাধ্য হয়েই পার্টির বিষয় সকল বান্ধবীদের জানাতেন না সাফাত।  এ জন্য মিথ্যাও বলতে হতো তাকে।  যে কারণে ২৮শে মার্চ বনানীর রেইনট্রি হোটেলে জন্মদিনের নামে পার্টি করলেও তা ঘনিষ্ঠ অনেক বান্ধবীদের জানাননি।

একজন মডেল জানিয়েছেন, ২৭শে মার্চ তার সঙ্গে কথা হয়েছিলো নাঈম আশরাফের।  নাঈম বলেছিলো সাফাত ও সে ২৮শে মার্চ সিলেটে যাবে।  জিজ্ঞাসাবাদে গোয়েন্দা পুলিশ তথ্য পেয়েছে ওই দিন ইয়াবা সেবন করেছিলো সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ।

যদিও শুরুতে ইয়াবা সেবনের বিষয়টি অস্বীকার করেছিলো সাফাত আহমেদ।  বলেছিলো সে মদ পান করে, ইয়াবা না।  মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, তার বান্ধবীর সংখ্যা অনেক।  অন্তত ২৪ জন ঘনিষ্ঠ বান্ধবীর কথা জানা গেছে।

তাদের অনেকেই পরিচিত মুখ।  তবে দুই তরুণী ছাড়া অন্য কারও কাছ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।  মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইসমত আরা এমি বলেন, রেইনট্রি হোটেলের ওই ধর্ষণ মামলার তদন্তের স্বার্থে যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

ধর্ষণের অভিযোগে আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদ সেলিমের ছেলে সাফাত আহমেদ, তার গাড়ি চালক বিল্লাল, গানম্যান রহমত ও নির্যাতিতা দুই তরুণীর বন্ধু সাদমান সাকিফকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

এদিকে দ্য রেইনট্রি হোটেলে দুই তরুণী ধর্ষণের মামলার অন্যতম আসামি নাঈম আশরাফ ওরফে মো. আব্দুল হালিম প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন।  বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম এ কথা জানান।

গতকাল বুধবার রাতে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার খিদিরপাড়া গ্রামের একটি বাড়ি থেকে নাঈম আশরাফকে পুলিশ গ্রেফতার করে।  বনানীতে দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় নাঈম দুই নম্বর আসামী।  ডিবি জানিয়েছে, নাঈমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।

অপরদিকে সংবাদ সম্মেলনে মনিরুল ইসলাম বলেন, এই ঘটনায় রিমান্ডে থাকা আসামীরা অনেক কিছুই স্বীকার করেছেন।  এই ঘটনায় যারা ভিকটিম তারা আদালতে বক্তব্য দিয়েছেন।  আসামীদের রিমান্ডে দেয়া তথ্য ভিকটিমদের সঙ্গে ‘ক্রস চেক’ বা যাচাই-বাছাই করা হবে।  গত ২৮ মার্চ দ্য রেইনট্রি হোটেলে কী ঘটেছিল তা তদন্ত এবং রিমান্ড শেষ না হলে বলা যাবে না।  তবে ওই ঘটনায় ভিডিও ফুটেজ এখনো পাওয়া যায়নি।  ভিডিও ফুটেজ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। ’

এই ঘটনার সঙ্গে দ্য রেইনট্রি হোটেল কর্তৃপক্ষের কোন সহযোগিতা আছে কিনা এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে মনিরুল ইসলাম আরো বলেন, ‘আমরা এই ঘটনায় আসামী ছাড়াও আরো অনেককে জিজ্ঞাসাবাদ করছি।  তদন্ত শেষ না হলে কে কারা সঙ্গে জড়িত তা নিশ্চিতভাবে বলা যাবে না। ’

এর আগে গত সোমবার (১৫ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর নবাবপুর রোডের ইব্রাহীম হোটেল থেকে সাফাত আহমেদের গাড়িচালক বিল্লালকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১০ এবং গুলশান থেকে তার দেহরক্ষী আযাদকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।

তারও আগে চলতি মাসের ১১ তারিখে সিলেট থেকে গ্রেফতার করা হয় প্রধান আসামি সাফাত আহমেদ এবং সাদমান সাকিফকে।

সিরাজগঞ্জের কাজীপুরের হালিম ঢাকায় নাঈম আশরাফ নামে পরিচিত ছিলেন।  তিনি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান খুলে ব্যবসা চালাচ্ছিলেন বলে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর প্রকাশ পায়।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন জানান, আজ রাতে পুলিশ সদর দপ্তরের একটি দল ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে নাঈম আশরাফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।  তাকে এখন ঢাকায় আনা হচ্ছে।

এর আগে গত সোমবার এই মামলার আরও দুই আসামি আপন জুয়েলার্সের মা লিকের ছেলে সাফাত আহমেদের গাড়িচালক বিল্লাল ও তার দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর নবাবপুর রোডের ইব্রাহীম হোটেল থেকে বিল্লালকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১০।  এছাড়া গুলশান থেকে সাফাতের দেহরক্ষী আযাদকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।

গত ৬ মে এক তরুণী মামলা করার পাঁচদিন পর ১১ মে রাতে সিলেট থেকে প্রধান আসামি সাফাত আহমেদ ও তার বন্ধু সাদমান সাকিফকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।  এরই মধ্যে তাদেরকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

এ নিয়ে মামলার পাঁচ আসামির মধ্যে সবাইকে গ্রেপ্তার করল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এর আগে গণমাধ্যমে নাঈমের ছবি দেখে তাকে হালিম বলে শনাক্ত করেন সিরাজগঞ্জের কাজীপুরের গাইন্দাইল গ্রামের বাসিন্দারা।  হালিম ওই গ্রামের ফেরিওয়ালা আজমদাজ হোসেনের ছেলে।  এলাকায় প্রতারক হিসেবে তার পরিচয় ছিল।

গ্রামবাসী ভাষ্য, হালিম প্রভাবশালী বিভিন্ন জনকে তার বাবা পরিচয় দিয়ে নানা সুবিধা আদায় এমনকি বিয়েও করেছিল দুই বার।

ঢাকায় এসে নাঈম আশরাফ নাম নিয়ে ‘ই-মেকার্স’ নামে একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান খুলে ২০১৪ সালে ভারতের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী অরিজিৎ সিংয়ের কনসার্টের আয়োজন করেন তিনি।

২০১৬ সালে ঢাকায় ভারতের আরেক শিল্পী নেহা কাক্কারকে নিয়ে ‘নেহা কাক্কার লাইভ ইন কনসার্ট’ অনুষ্ঠানের আয়োজনও করেন নাঈম বা হালিম।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নাঈম বিভিন্ন জনের সঙ্গে নিজের সেলফি দিতেন, যা সুবিধা নেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হত বলে এখন মনে করছেন ওই ছবিতে থাকা ব্যক্তিরা।

নিজেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা পরিচয় দিয়ে হালিম এলাকায় পোস্টার-ব্যানারও লাগাতেন; যদিও সংগঠনে তার কোনো পদ ছিল না বলে জানান স্বেচ্ছাসেবক লীগের কাজীপুরের নেতারা।

আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাতের সঙ্গে নাঈমের নিবিড় ঘনিষ্ঠতার কথা সাফাতের সাবেক স্ত্রী ফারাহ মাহবুব পিয়াসাও জানিয়েছেন।

গত ২৮ মার্চ বনানীর রেইনট্রি হোটেলে সাফাতের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে দাওয়াত দিয়ে দুই তরুণীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠে।  ঘটনার ৪০ দিন পর গত ৬ মে এক তরুণী বনানী থানায় একটি মামলা করেন।

বনানীর ‘দ্যা রেইন ট্রি’ হোটেলের জন্মদিনের পার্টিতে আমন্ত্রণ করে ওই দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ৬ মে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করা হয়।  এতে পাঁচ জনকে আসামি করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ মার্চ রাত ৯টার দিকে রেইনট্রি হোটেলে আহমেদ শাফাতের জন্মদিনের নিমন্ত্রণে যান ওই দুই তরুণী।  মধ্যরাতে জন্মদিনের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর শাফাত ও নাঈম হোটেলের দুটি কক্ষে আটকে রেখে তাদের ধর্ষণ করে।  সাদমান সাকিফ, বিল্লাল ও আজাদ ধর্ষণে সহায়তা করেছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Related posts

Leave a Reply