কেন্দুয়ায় সাংবাদিকতার নামে বেপরোয়া আয়নাল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক: কাক কাকের মাংস খায় না । এ প্রাদটিকেও জলাঞ্জলি দিয়ে সাংবাদিকের মায়ের নামে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেছে নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কথিত চাঁদাবাজ সাংবাদিক আয়নাল হক ।আয়নাল হক কেন্দুয়ার জনপদে এক আতঙ্কের নাম। সম্প্রতি ময়মনসিংহ সদর উপজেলার পরাণগঞ্জ, ত্রিশালে ২ নারীকে ধর্ষণ ও শ্লীলতাহানীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে সাময়িক গাঢাকা দিলেও স্থানীয় নিরীহ- মানুষ জনকে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশনের সংবাদ ভয় দেখিয়ে এবং অনেক ক্ষেত্রে তা প্রকাশ করে মানুষকে নিয়মিত ব্ল্যাক মেইলিং করা ও নানা কৌশলে তার চাঁদাবাজি এখনো বন্ধ হয়নি।

টাকার জন্য পারে না এহেন কাজ নেই যেনো তার কাছে। কেন্দুয়ার মাটিতে কান পাতলে এখন শোনা যাচ্ছে কথিত এই সাংবাদিকের জানা অজানা নানান লোমহর্ষক কাহিনী। তবে বিস্ময়করজনক হলেও সত্য একের পর এক চাঁদাবাজি, নারীদের শ্লীলতাহানী ও মানুষকে নিউজ ছাপানোর নামে ব্ল্যাক মেইলিংয়ের মতো দুস্কর্ম করেও বহাল তবিয়তেই সে পার পেয়ে যাচ্ছে। তার এই মিথ্যা সংবাদে ক্ষুব্ধ ক্ষোধ স্থানীয় সাংসদও । বরাবরের ক্ষমতাশীন মহলকে ফুঁলিয়ে ফাঁপিয়ে এখন নিজের অতীত কুকর্মের সাজা হতে রেহাই পেতেও আইনাল হক বেশ তৎপর রয়েছে বলে জানা গেছে।কেন্দুয়ার এই কথিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে নানাজনের নিকট থেকে অভিযোগ পেয়ে তার সম্মন্ধে খোঁজখবর নিয়ে পাওয়া গেছে ভয়ংকর সব তথ্য। টানা পোড়নের অর্থাৎ নুন আনতে পানতা ফুরোয় সাংসারিক অবস্থা এমন হলেও, সাংবাদিকতা পেশা ও পরিচয়ে সংসার ভালোই চলছে তার ।পত্রিকায় নিউজ প্রকাশের নামে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্নজনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ব্ল্যাক মেইলিং করে নিয়মিত অবৈধ টাকা পয়সা আদায়, নিরীহ মানুষকে জেল-পুলিশের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়সহ নানা কর্মকান্ডে তার জড়িত থাকার প্রমাণ এখন কেন্দুয়াবাসীর মুখে মুখে ফিরছে। তাদের একটিই কথা আয়নাল হকের মতো সাংবাদিক যতোদিন কেন্দুয়ায় সাংবাদিকতা করে যাবে ততোদিন কেন্দুয়ার সাংবাদিকতার পরিবেশ উন্নয়ন হবে না। তার পরিবেশিত অধিকাংশ খবরই মিথ্যা । যে পত্রিকায় তার সংবাদ প্রকাশ করা হয় সেই পত্রিকা আয়নাল হক বিনা পয়সায় বিলি করেন । মানুষের নামে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে আবার মোটা টাকার বিনিময়ে সেই সংবাদের প্রতিবাদও ছাপায় সে ।আয়নাল হক কেন্দুয়ার মানুষকে আষ্টেপৃষ্টে বেঁধেছে তার ব্ল্যাকমেইলিং ও চাঁদাবজির কঠিন জালে। মানুষকে ব্ল্যাকমেইলিং ছাড়াও তার আয়ের উৎস হচ্ছে নারীদের শ্লীলতাহানী করে কৌশলে সেইসব নারীদের ছবি ক্যামেরা ও মোবাইলে ধারণ করে তাদের আতœীয়- স্বজনদের ভয় দেখিয়ে অর্থাৎ ঐসব ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে মোটা অংকের টাকা আদায় করে । এছাড়াও কিছু পত্রিকার নাম ভাঙিয়ে দোর্দন্ড প্রতাপে অপসাংবাদিকতা চালাচ্ছে সে ।

Please follow and like us:

Related posts