আবারও অবরোধের মুখে পড়তে যাচ্ছে কাতার!

গেল মাসে সৌদি আরব, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর ছাড়াও আরও কয়েকটি দেশ কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অন্যান্য সম্পর্ক ছিন্ন করে। পরে তারা অবরোধে তুলার ক্ষেত্রে বেশ কিছু শর্ত দেয়। তা মেনে নেওয়ার সময়সীমা আজ রবিবার রাতের মধ্যে শেষ হচ্ছে।

এসব দাবি পূরণের জন্য দশদিন সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়। সেই দশদিন শেষ হবে আজ রবিবার রাতে।
অর্থাৎ আজ রাতের মধ্যে এসব দাবি না মানলে কাতারের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন রাশিয়ায় নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত।

ফলে দাবিগুলো মেনে না নিলে ‘সন্ত্রাসবাদে সমর্থন দেয়ার’ অভিযোগে কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা আরব দেশগুলো আবারও কাতারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে খবর প্রকাশ করেছে বিবিসি।

এদিকে, রোমে কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর-রাহমান আল থানি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, “আরব দেশের দাবিগুলো প্রত্যাখ্যাত হওয়ার জন্যই তৈরি করা হয়েছে। মেনে নেওয়ার মতো করে এটি তৈরি করা হয়নি এবং এতে আলোচনার সুযোগও রাখা হয়নি। “

তিনি বলেছেন, কাতার তার সার্বভৌমত্বকে লঙ্ঘন করে এমন কোন কিছুই গ্রহণ করবে না।
পাল্টা অভিযোগ করে কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, “আরব দেশগুলো সন্ত্রাসবাদ নিয়ন্ত্রণের জন্য সময়সীমা বেঁধে দেয়নি, বরং কাতারের সার্বভৌমত্ব খর্ব করার লক্ষ্যেই তা করা হয়েছে। “

যদিও আরব প্রতিবেশীদের মধ্যে তৈরি হওয়া ক্ষোভ নিরসনে বৈঠকে বসে আলোচনার জন্য দোহা প্রস্তুত আছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে আরব দেশগুলো আলোচনার মাধ্যমে এসব দাবির কোনো মীমাংসা করা যাবে না বলে আগেই জানিয়েছে দিয়েছে। ফলে দাবি না মেলে নিলে আবারও অবরোধের পথে হাঁটতে পারে আরব দেশগুলো।

এর আগে, আরব বিশ্বের চারটি দেশ কাতারের কাছে তাদের ১৩টি দাবির একটি তালিকা পাঠিয়ে বলেছিল এগুলো না মানলে তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা যাবে না। সৌদি আরব, মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইন কাতারের কাছে দাবি জানিয়েছিল, আল জাজিরার সম্প্রচার বন্ধ করতে হবে। তারা কাতারের কাছে আরও দাবি জানিয়েছে ইরানের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ সীমিত করতে হবে এবং তুরস্কে তাদের সেনা ঘাঁটি বন্ধ করতে হবে।

Please follow and like us:

Related posts