পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে যুবলীগ-ছাত্রলীগের বিক্ষোভ

ঈশ্বরদী (পাবনা) : ঈশ্বরদী পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ মিন্টুর বিরুদ্ধে গতকাল বৃহ¯প্রতিবার শহরের পোষ্ট অফিস মোড়ে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ বিক্ষোভ প্রশর্দন করে শ্লোগান দিতে থাকেন। পৌর যুবলীগের সভাপতি আলাউদ্দিন বিপ্লবের পুকুরে মাছ লুটের মামলায় ঈশ্বরদী পৌরসভার মেয়র আবুল কালাম আজাদ মিন্টুকে ১ নং আসামী করে ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। গত ২ জুলাই ঈশ্বরদী থানায় মাছ লুটের মামলা হওয়ার পর গতকাল বৃহস্প্রতিবার তারা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে শ্লোগান দেন, মাছ চোরের আস্থানা ঈশ্বরদীতে হবেনা, সন্ত্রাসীদের আস্থানা ঈশ্বরদীতে হবেনা, ছাগল চোরের আস্থানা ঈশ্বরদীতে হবেনা।

ঈশ্বরদী কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ন সম্পাদক রাকিবুল হাসান রনির সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন যুবলীগ নেতা রুহুল আমিন কুদ্দুস, উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মাসুদ মন্ডল। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন, পৌর যুবলীগের সাধারন সম্পাদক আরিফুল ইসলাম লিটন, যুবলীগ নেতা মোঃ হাবিবুর রহমান, কামরুল হাসান বুলবুল, লালিম হোসেন ও এবি সিদ্দিক পিল্টনসহ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, পৌর মেয়র আবুল কালাম আজাদ মিন্টু তার গুন্ডা বাহিনী নিয়ে পৌর যুবলীগের সভাপতি আলাউদ্দিন বিপ্লবের ৬টি পুকুর থেকে ২০ লাখ টাকার মাছ ও মৎস্য খামার থেকে ৩৩৫ বস্তা মাছের ফিড খাবার, খৈল, সারসহ যাবতিয় মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। মাছ চোর ও ছাগল চোরেরা দেশ ও দশের শক্রু। এরা সন্ত্রাসী, সব সময় ভদ্র মানুষ সেজে থাকে। ভদ্র মানুষের ভিতরে এদের কুশ্চিৎ একটা জগৎ রয়েছে। মাছ চুরির কারণে ইতোমধ্যে এদের মুখোশ উন্মোচন হয়ে গেছে। পুলিশ প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, অবিলম্বে মাছ লুন্ঠনকারিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

ঈশ্বরদী পৌর পরিষদের কর্মচারীদের প্রেসক্লাবের সামনে গতকাল বৃহস্প্রতিবার মেয়র মিন্টুর পক্ষে মানব-বন্ধন করার কথা ছিল। পৌরসভা থেকে প্রেসক্লাবের উদ্দেশ্যে বের হয়ে পোষ্ট অফিস মোড়ে আসার পর বাধার কারণে তারা আর মানব-বন্ধন করতে পারেন নি। শহরের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সকাল থেকে পোষ্ট অফিস মোড়ে প্রচুর পরিমাণে ঈশ্বরদী থানা ও পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ উপস্থিত ছিল।

Please follow and like us:

Related posts

Leave a Comment