যৌন উত্তেজক ওষুধ কেড়ে নিল প্রাণ!

প্রতীকী ছবি..

রাজবাড়ী: যৌন উত্তেজক বড়ি ও মাদক সেবন করায় হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইকলাস উদ্দিন (৪০) নামে এক বালু ব্যবসায়ী ও এক্সকাভেটরের (খননযন্ত্র) চালক মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) সকালে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

ইকলাস মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার বলধারা (চরমধারা) গ্রামের মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় একজন বালু ব্যবসায়ী ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৯ জুলাই)  বিকেলে বলধারা গ্রামের ইকলাস উদ্দিন ও তাঁর দুই সহযোগী গোয়ালন্দে আসেন। ওই দুজনের মধ্যে একজন ইকলাসের সহকারী।

ওই সহকারী জানান, ইকলাস উদ্দিন বালু ব্যবসার পাশাপাশি মাটি খননের যন্ত্র এক্সকাভেটরের চালক ছিলেন। বুধবার (১৯ জুলাই) বিকেলে জরুরি কাজে তারা তিনজন রাজবাড়ীর উদ্দেশে রওনা হন। নদী পাড়ি দিয়ে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তারা দৌলতদিয়ায় পৌঁছান। সেখানে পৌঁছানোর পর ইকলাস যৌনপল্লিতেই রাত কাটানোর প্রস্তাব দিয়ে তিনি একা যৌনপল্লিতে প্রবেশ করেন।

তিনি আরো জানান, সন্ধ্যার পর তারা দুজন যৌনপল্লিসহ আশপাশের এলাকায় ঘুরতে থাকেন। ভোর ৪টার দিকে মুঠোফোনে ইকলাস তার অসুস্থতার কথা জানালে তারা সেখানে গিয়ে দেখেন ইকলাস বমি করছেন। পরে ভোর ৫টার দিকে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সকাল ৬টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ইকলাস।

বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. সরোওয়ার জাহান,  ইয়াবা, গাঁজা ও যৌন উত্তেজক বড়ি সেবন করায় অতিমাত্রায় উচ্চ রক্তচাপের কারণে হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন ইকলাস উদ্দিন।

গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মির্জা আবুল কালাম আজাদ জানান, বেড়াতে এসে যৌনপল্লিতে আনন্দ করতে গিয়ে যৌন উত্তেজক ওষুধ ও মাদক সেবন ইকলাস মারা যান বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য দুপুরের দিকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে বলেও জানান ওসি। সোনালীনিউজ ডটকম

Please follow and like us:

Related posts