চাঁপাইনবাবগঞ্জের রূপকার সৎ-নিষ্ঠাবান পুলিশ সুপার টি. এম মোজাহিদুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের সার্বিক কল্যাণের জন্য প্রয়োজন ভালমানের পুলিশ প্রশাসন। যাঁদের কল্যাণে দেশ ও দশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে। সেজন্য চায় একজন সৎ-নিষ্ঠাবান দায়িত্বশীল দক্ষ পুলিশ সদস্য। তবে এ বাহিনীর কিছু চৌকস পুলিশ সদস্যদের কাজের মাধ্যমে দিনদিন মানুষ এ বাহিনীর ওপর আস্থা ফিরে পাচ্ছে। পুলিশ যে জনগণের বন্ধু তা প্রমাণ করতে ইতোমধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জবাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সমর্থন হয়েছেন, যাঁকে চাঁপাইয়ের জনগণ ফেসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন নামে ডাকতে শুরু করেছেন, যেমন চাঁপাইয়ের রিয়েল হিরো, চাঁপাইয়ের ফাটাকেষ্টসহ বিভিন্ন নামে নাম দিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ সুপার টি এম মোজাহিদুল ইসলাম বিপিএম। গত ২৪/০৭/২০১৬ইং তারিখে জেলার দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে কিছু স্মার্ট অফিসারদের নিয়ে এ জেলাকে সন্ত্রাস, মাদক, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহন করেন। সামাজিক নিরাপত্তার জন্য ছোট ছোট বেশকিছু সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন, যা জেলার মানুষ সানন্দে গ্রহন করেন। যেমন: রাত ৮টার পর স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের বাইরে আড্ডা দিলে তাঁদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে অভিভাবকদের ডেকে শাসন করা সহ লেখাপড়ার প্রতি মনোযোগী হওয়ার জন্য উপদেশ ও পরামর্শ গ্রহন করেছে পুলিশ সুপার টি.এম মোজাহিদুল ইসলাম। নিজ আরাম আয়েশের কথা চিন্তা না করে সাধারণ মানুষের সাথে মিশার কৌশল হিসাবে সাদা পোষাকে সাধারণ জনগণের মনের কথা জানতে এলাকার মানুষ আসলে কী চায়, মানুষের চিন্তা-ভাবনা কী, মানুষ পুলিশকে নিয়ে কী ভাবে- এসব কথা জেনে এ জেলার আইন-শৃংখলা রক্ষায় কি করা প্রয়োজন তা তিনি সচক্ষে অবলোকন করেছেন। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকা চাঁপাইনবাবগঞ্জ হওয়ায় এখানে মাদকের গড়ে ওঠে স্বর্গরাজ্য। নানা অনিয়মে, রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে অন্ধকারে ভাসছিল এ জেলা। তিনি ঘোষণা করলেন- এ জেলাকে মাদকদ্রব্য থেকে রক্ষার জন্য ডিরো টলারেন্স ঘোষণা করেন, প্রায় সফলও হয়েছেন। যেখানে-যত্রতত্র বিক্রি হতো মাদকদ্রব্য বর্তমানে তা নেই। যোগ্য নেতৃত্বে তিনি বিশাল অস্ত্রের চালানসহ বেশকিছু উল্লেখযোগ্য কাজ, যা চাঁপাইনবাবগঞ্জকে কিছুটা হলেও কলঙ্গমুক্ত করেছে। জেলার জঙ্গিবাদ নিরসনের জন্য পাঁচটি থানায় কমিউনিটি পুলিশিং এর আয়োজনে জনগণকে সচেতন করার জন্য পাড়া মহল্লায় উঠান বৈঠকসহ আলোচনা সভা করেছেন। যার ফলশ্রুতিতে দেশের আলোচিত জঙ্গিদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বে শিবগঞ্জ থানায় জঙ্গি অপারেশন ঈগল হান্টসহ হলি আর্টিজনের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করেছেন। যার ফলে এ জেলাকে একটা আদর্শ জেলা গড়ার জন্য যতোটুকু সম্ভব কাজ করে যাচ্ছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জে আইন শৃংখলার সার্বিক উন্নয়নে পুলিশ সুপার টি এম মোজাহিদুল ইসলাম গৃহিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন ক্রমশই এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সুপার অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। যার ফলশ্রুতিতে জঙ্গি সন্ত্রাসী, ডাকাত, মাদক ব্যবসায়ী, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার, অস্ত্র উদ্ধার, চোরাচালান প্রতিরোধসহ অপরাধ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে প্রচুর সুনাম অর্জন করেছেন। তাঁর প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থানায় বিভিন্ন সময় অরাজকতা তিনি কঠোর হস্তে নিয়ন্ত্রণ করেছেন। ফলে চাঁপাইনবাবগঞ্জবাসী যেন এক নিরাপত্তার চাদরে বসবাস করছে। অপরাধমুক্ত একটি জেলা গড়তে টি এম মোজাহিদুল ইসলাম পাঁচটি থানা ওসিদের মনোবল বৃদ্ধির জন্য মাসিকসভা সহ আইনীসেবা মানুষের দোড় গোড়ায় মানবসেবার জন্য যাঁরা বিশেষ অবদান রাখছেন সেই থানার ওসিদের শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচন করে তাদের মনোবল শক্তি ও ভাল কাজের জন্য উৎসাহ করে আইন শৃংখলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাচ্ছেন। পুলিশকে জনবান্ধব পুলিশে রূপান্তরিত করতে সর্বদা সচেষ্ট রয়েছেন। সাধারণ জনগণ যেন সহজেই মনের কথা বলতে পারেন, জনগণ যেনো আরো পুলিশের কাছাকাছি আসতে পারেন ও তাঁদের সুবিধা-অসুবিধার কথা বলতে পারেন- সেজন্য ওপেন হাউস ডে’র ব্যবস্থা করেছেন। শুধুতাই নয়, বিশেষ করে এ জেলার মহিলারা, যারা বিভিন্নভাবে নির্যাতিত নিষ্পেষিত হচ্ছে, তাদের জন্য পুলিশ সুপারের নিজ কার্যালয়ে মহিলাদের জন্য ও তাদের আইনী সহায়তার জন্য নারী ও শিশু সাহয়তা সেল খুলেছেন। যেখানে সহজেই মহিলারা তাদের অসুবিধার কথা, বিপদ-আপদের কথা এবং কি করলে আইনী পদক্ষেপ তাৎক্ষনিক পাওয়া যাবে তার সুব্যবস্থা করেছেন। সারা দেশের তুলনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার আইন শৃংখলা তুলনামূলক ভাবে খুব ভাল। আর এ সফলতার দাবিদার একমাত্র জেলা পুলিশ সুপার টি.এম মোজাহিদুল ইসলাম।

Please follow and like us:

Related posts