‘একজনের মুখ দেখাও অন্যজনের জন্য হারাম’

ভাঙনের জন্যই নাকি মানুষে মানুষে ‘সম্পর্ক’ তৈরি হয়! অন্যদিকে মানুষে মানুষে তুমুল প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হতে সময় লাগে, ধীরে ধীরে পারস্পারিক শ্রদ্ধা আর বিশ্বাস থেকে একটা সম্পর্কের জন্ম হয়। অথচ একটা প্রতিষ্ঠিত সম্পর্ক ভেঙে যেতে সময় লাগে না একটুও। এমনটাই হয়েছে এই ছবির মানুষগুলোর সঙ্গে!

ছবিতে দেখা যায় দুই দম্পতি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস এবং নির্মাতা শামীম আহমেদ রনি ও তমা খান। তাদের সঙ্গে আছেন বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম খল অভিনেতা মিশা সওদাগর। এটা সেই সময়ের ছবি যখন এই মানুষগুলো একে অন্যের সাথে ছিলো দৃঢ় সম্পর্ক! অথচ এখন এদের কেউ কারো সাথেই সেই সম্পর্ক নেই। শুধু তাই না, একজন আরেকজনের ছায়াও দেখতে পারেন না!

যখন মিডিয়াতে শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের মধ্যে সম্পর্ক বিষয়ে কেউ জানেন না এটা তখনকার ছবি। সেসময় নির্মাতা শামীম আহমেদ রনিও স্ত্রী তমা খানের সঙ্গে শাকিব-অপুর সুসম্পর্ক ছিলো। আর মিশা সওদাগরতো শাকিবের খাস বন্ধু হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে শাকিবের সঙ্গে স্ত্রী অপু বিশ্বাস ও মিশা সওদাগরের দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এমনকি ডিভোর্স না হয়েও স্ত্রী তমা খানের সঙ্গে প্রায় চার মাস ধরে কোনো যোগাযোগ রাখছেন না নির্মাতা শামীম আহমেদ রনি। তিনি নাকি অন্যকারো সঙ্গে প্রেম করে বেড়াচ্ছেন।

সবকিছু মিলিয়ে সম্পর্ক বিষয়ক জটিলতায় আছে এই ছবির মানুষগুলো। আর সেকথায় যেনো তমা খান মনে করিয়ে দিলেন এই পুরনো ছবিটি ফেসবুকে শেয়ার করে। ছবিটি শেয়ার করে ফেসবুকে তমা লিখেন, এই একটা ছবির মাঝেই অনেক কথা লুকিয়ে আছে। যেখানে দুইজন সুপারস্টার আছেন যারা বাস্তবে স্বামী-স্ত্রী, আমি-রনি, মিশা ভাই, টপি ভাই আর বাকিজন একজন সাংবাদিক।

এরপর তমা খান সবচেয়ে তিক্ত অথচ বাস্তব সত্যটি উচ্চারণ করেন। বলেন, এইতো সেদিনের কথা! যখন আমাদের সবার সঙ্গে সবার একটা মধুর সম্পর্ক ছিল অথচ ভাবা যায় লোভ-লালসা, অহংকার, পরকীয়া….সেই মধুর দিনগুলোকে এক নিমিষে নষ্ট করে দিয়েছে। এখন ব্যাপারটা এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে যে একজনের মুখ দেখাও অন্যজনের জন্য হারাম।

Please follow and like us:

Related posts