মটর শ্রমিক ইউনিয়নের অবৈধ অফিস ঘর নির্মাণ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা

0

টুটুল রবিউল ঃ  চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার রসুলপুর মোড়ে শ্রমিক ইউনিয়নের আঞ্চলিক অফিস নির্মাণের জেরে এলাকায় উত্তপ্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। জানা যায় , গত ৪ সেপ্টেম্বর সোমবার আনুমানিক সকাল ১০ টার সময় রসুলপুর গ্রামের মৃত ফুদ্দিন মোমিনের ছেলে রেজাউল মোমিন (৪৫), ভুলু মন্ডলের ছেলে মিলন ড্রাইভার (৪০), সেন্টু ঘোষের ছেলে তাজিমুল হক (৪০). মহিবুল ওরফে বুজুর ছেলে এমদাদুল হক (৩০), মৃৃত লুটু মন্ডলের ছেলে মুকুল আলী (৪০),রফিকের ছেলে বাবু ওরফে বিশু (৩২) ও পোলাদ আলীর ছেলে চুটু আলীর নেতৃত্বে ১৫/২০ জনের একটি সশ্রস্ত্র বাহিনী দেশীয় অস্ত্র হাতে নিয়ে আব্দুস সালামের পৈতৃক সম্পত্তির সম্মুখের সরকারি পজিশনে অফিস ঘর উঠাতে যায়। অফিস ঘর উঠাতে আব্দুস সালাম বাধা প্রদাণ করলে মিলন ড্রাইভারের নেতৃত্বে ১০/১৫ জন সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র হাতে নিয়ে সালামকে মারধর করে আহত করে। সালামের মা সালামকে রক্ষা করার জন্য এগিয়ে এলে তাকেও মারপিট করে আহত করা হয়। এ ব্যাপারে সালাম ৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১৫/২০ জনের নামে শিবগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। উল্লেখ্য শিবগঞ্জ-কানসাট বাইপাস সড়ক নির্মাণের জন্য আব্দুস সালামের পৈতৃক সম্পত্তির কিছু অংশ অধিগ্রহণ করে সড়ক ও জনপদ বিভাগ। সড়ক নির্মাণের পর অধিগ্রহনের বাকি অংশ পতিত অবস্থায় আব্দুস সালামের পৈতৃক সম্পত্তির সম্মুখে অবস্থান করায় আব্দুস সালাম সেই জমি টুকু দখলে রাখে। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যক্তি আব্দুস সালামের সরলতার সুযোগে উক্ত সরকারী পতিত জমিতে দোকান আর অফিস ঘর নির্মাণ করে যাচ্ছে। যার কারণে আব্দুস সালামের পৈতৃক সম্মপ্তির পজিশন নষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন আব্দুস সালাম।

এরই ধারাবাহিকতায় শ্রমিক ইউনিয়ন জোর পুর্বক অফিস ঘর উঠাতে গেলে আব্দুস সালাম ঘর নির্মাণে বাধা প্রদাণ করে। আব্দুস সালামের অভিযোগ পুলিশের উপস্থিতিতে শ্রমিক ইউনিয়ন তাদের অফিস নির্মাণ করতে আসে। পুলিশ তাদের বাধা প্রদাণ না করে তাকেই সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে।

থানা আর বিভিন্ন সরকারী অফিসে ঘুরে আব্দুস সালাম কোন প্রতিকার পায়নি বলেও অভিযোগ করেছেন। আব্দুস সালাম বলেন, নিজ সম্পত্তির পজিশন রক্ষার্থে তিনি জীবন দিতেও প্রস্তুত আছেন। যেকোন মূল্যে শ্রমিক ইউনিয়নের অফিস ঘর নির্মাণে তিনি বাধা প্রদান করার ঘোষনা দেয়ায় এলাকায় ্উত্তেজনা বিরাজ করছে। উভয় পক্ষ এখন মোখামুখি অবস্থানে। যেকোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বেধে যেতে পারে বলে এলাকাবাসীর আশংকা। পুলিশ প্রশাসন মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এব্যাপারে শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন-এবিষয়ে তার করার কিছু নাই। পুলিশের উপস্থিতিতে শ্রমিক ইউনিয়ন অফিস ঘর নির্মাণ করেছে, এই অভিযোগ তিনি অস্বীকার করে বলেন- এটার কোন সত্যতা নেই, ভুয়া খবর ছড়ানো হয়েছে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ