‘বিশ্বশান্তির একমাত্র নেতা শেখ হাসিনা’

যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী বলেছেন, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার শান্তিবাদী দর্শন, চেতনা আর মানবতাবাদী পদক্ষেপ সারা বিশ্বে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। শরণার্থী সমস্যা সমাধানের আলোকবর্তিকা হিসেবে উদ্ভাসিত হয়েছেন তিনি।

রবিবার বিকেলে যুব জাগরণ অফিসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি আরো বলেন, শান্তিতে নোবেল জয়ীদের ভূমিকা যখন প্রশ্নবিদ্ধ, তখন বিশ্বের মানচিত্রে শান্তির পতাকা হাতে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা।

মিয়ানমারে নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়ে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে প্রায় দুই লাখ ৭০ হাজার রোহিঙ্গা। এই বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার পাশপাশি খাবার, বিশুদ্ধ পানিসহ নূন্যতম চাহিদার যোগান দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বিশ্বে আলোচিত ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে বিশ্বব্যাপী রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও মিয়ানমারে অধিকারের জন্য সোচ্চার প্রধানমন্ত্রীর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা হয়েছে প্রশংসিত।

ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের এক কোটি শরণার্থী পাশ্ববর্তী ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল। বাংলাদেশের মানুষ তাই শরণার্থীদের দুঃখ বোঝে। প্রধানমন্ত্রীও এর বাইরে নন। মিয়ানমারের সরকারের রোহিঙ্গা নিধনে বাড়িঘর ছেড়ে প্রাণ নিয়ে বাংলাদেশে আসা মানুষগুলোকে আশ্রয় দেয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে পরম মানবিকতার পরিচয় দিয়েছে সরকার। রোহিঙ্গাদের জন্য ভারত তার সীমান্ত বন্ধ করে দিলেও বাংলাদেশে ঢুকছে লাখো রোহিঙ্গা।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ আশ্রয় ও মিয়ানমারে নিরাপত্তার জন্য বিশ্বজুড়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশে এসেছেন ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো মারসুদি। রোহিঙ্গাদের দেখে গেলেন তুরস্কের ফার্স্টলেডি এমিনি এরদোয়ান। আরো অনেক দেশের শীর্ষ কূটনীতিকরা বাংলাদেশে আসছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন। অনেক দেশের শীর্ষ নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করছেন। খোঁজ খবর নিচ্ছেন রোহিঙ্গা পরিস্থিতির। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ ব্যক্তিরাও রোহিঙ্গা বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করছেন এবং সহযোগিতার কথা বলছেন।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের আবাস, খাদ্য ও নিরাপত্তা দিয়ে এক অর্থে মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্বের পর্যায়ে আছেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার যাচ্ছেন রোহিঙ্গাদের অবস্থা সরেজমিনে দেখতে।

যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশের সাধ্য সীমিত। বিপুল জনগোষ্ঠীর এই দেশে হঠাৎ করেই লাখ লাখ রোহিঙ্গা চলে আসায় খাদ্য সংকটসহ বিভিন্ন সংকট দেখা দেবে। এটা স্বাভাবিক। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার বিশ্বশান্তির দর্শন ‘জনগণের ক্ষমতায়ন’ এর আলোকে সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হয়েছেন। একদিকে তিনি তাদের জীবন বাঁচাতে সব উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। অন্যদিকে, তিনি বিশ্ববিবেককে জাগ্রত করেছেন। তার শান্তির বারতায় শান্তিতে নোবেল জয়ী আংসান সূ চিকে তিনি দেখিয়েছেন শান্তির নেতার দায়িত্ব কী।                                                                                                                                                                                          বিবার্তা ডেস্ক


 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Related posts

Leave a Reply