বাংলাদেশি আলোচিত ১২ নায়িকা-গায়িকার সেক্স ভিডিও ফাঁস

হলিউডে সেলেব্রিটিদের  স্ক্যান্ডাল নিয়ে প্রায়ই হৈচৈ শোনা যায়। এই স্ক্যান্ডাল থেকে রক্ষা পায়নি বাংলাদেশের বিনোদন জগতের তারকারাও। কখনো কখনো স্ক্যান্ডাল তারকাদের জীবনে আশীর্বাদ হয়ে দেখা এয়। যেমন- সেক্স স্ক্যান্ডাল দিয়ে রাতারাতি বড় তারকা বনে গেছেন হলিউডের কিম কার্দেশিয়ানের মতো অনেক তারকা।

তবে বাংলাদেশে সেক্স স্ক্যান্ডালের কারণে অনেকের ক্যারিয়ারে ধস নেমেছে। এমনই ঢাকার আলোচিত ১২ স্ক্যান্ডাল নিয়ে এই আয়োজন-

প্রভাঃ ২০১০ সালের দেশজুড়ে বোধহয় সবচেয়ে আলোচিত নাম জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। প্রভার বয়ফ্রেন্ড রাজীব একটি ভিডিও ফুটেজ বাজারে ছাড়লে দেশের শীর্ষ মডেল ও অভিনেত্রী ক্যারিয়ার থেকে সরে পড়তে বাধ্য হন। রাজীব ও প্রভার বিয়ে পারিবারিকভাবেই চূড়ান্ত হয়েছিল। তাই অনেকটা দাম্পত্য জীবনের মতোই ছিল তাদের সম্পর্ক। কিন্তু এর মাঝে অভিনেতা অপূর্বর সাথে প্রভার মন দেওয়া-নেওয়া হলে প্রভা পালিয়ে অপূর্বকে বিয়ে করে বসেন। এরপরই প্রতিহিংসার বশে রাজীব তার হবু স্ত্রী প্রভার একান্ত সময়ের কিছু ফুটেজ ইন্টারনেটে ছেড়ে দেন। দীর্ঘ ২ বছর মিডিয়া থেকে আড়ালে ছিলেন প্রভা।

ইভা রহমানঃ সঙ্গীতশিল্পী ইভা রহমানের নামে একটি অন্তরঙ্গ দৃশ্যের ভিডিও-চিত্র ছড়িয়ে পড়ে দেশজুড়ে। ভিডিও দৃশ্যে দেখা যায়, একটি হোটেল কক্ষে এক বিদেশীর সাথে অন্তরঙ্গ মুহূর্তে আছেন ইভা রহমানের মতো দেখতে এক নারী। পরে এটি অবশ্য গুজব বলেই প্রতিষ্ঠিত হয়।

তিন্নিঃ সেক্স স্ক্যান্ডালের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন মডেল অভিনেতা তিন্নি-হিল্লোল। দেশজুড়ে আলোচিত সমালোচিত হন তারা। একটি হোটেল কক্ষে তরুণ-তরুণীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তে ধারণকৃত একটি ভিডিও ফুটেজ দুজনের নামে ছেড়ে দেওয়া হয় বাজারে। ভিডিওটির পাত্র-পাত্রী হিসেবে চলে আসে এ জুটির নাম। এই ভিডিওটির সত্যতা মেলেনি। কিন্তু সমালোচনার হাত থেকে রেহাই পাননি এই তারকাজুটি।

চৈতিঃ প্রভার আপত্তিকর ভিডিও চিত্র প্রকাশ হওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই ২০১১ সালে মডেল ও উপস্থাপিকা চৈতির একটি আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশ হয়। নির্মাতা এনামুল কবির নির্ঝরের সাথে এই ভিডিওতে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যায় চৈতিকে। ভিডিওটি মোবাইলে ধারণ করা হয়েছিল। এই আপত্তিকর ভিডিও চিত্রটি প্রকাশের পরপরই তুমুল সমালোচনার মধ্যে পড়েন চৈতি। এরপর অনেক দিন মিডিয়ায় দেখা যায়নি এই তারকাকে। নির্মাতা নির্ঝরও নেই পাদপ্রদীপের আলোয়।

মিলাঃ জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী মিলা জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা অবস্থায় হঠাৎ করেই তার নাম চলে আসে ভিডিও স্ক্যান্ডালের গুজব। ইন্টারনেটে ‘মিলা’ নামে একটি আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশ করা হয়। ৩৩ সেকেন্ডের ঐ ভিডিওটিতে মাতাল অবস্থায় থাকা তরুণীর চিত্র রয়েছে। এ ঘটনার কয়েকমাস পর মিলা মুখ খোলেন। তিনি দাবি করেন, প্রকাশিত ভিডিওচিত্রের মেয়েটি তিনি নন। এটি মিলা না হলেও স্ক্যান্ডাল থেকে রক্ষা পাননি তিনি।

নোভাঃ মডেল অভিনেত্রী নোভাকে ক্যারিয়ারের উঠতি সময়ে  বিপাকে ফেলে দেয় একটি ভিডিও ফুটেজ। ২০১০ সালে তার নামে একটি অর্ধ বিবসনা ফুটেজ ছড়িয়ে পরে। তবে ফুটেজটি নোভার কিনা তার সত্যতা মেলেনি।

মেহজাবিনঃ বছরকয়েক আগে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে মেহজাবিনের নামে এক পর্নো ক্লিপ। মেহজাবিন জানিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে শত্রুতা করে কে বা কারা তার নামে এই অপপ্রচার চালিয়েছে।

সারিকাঃ মেহজাবিনের মতো ফেক ভিডিও স্ক্যান্ডালের ফাঁদে পড়েছেন আরেক জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী সারিকা। ইন্টারনেটে বেশ কয়েকটি ওয়েব সাইটে সারিকার নামে একটি পর্নো ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হয়। প্রকাশিত ভিডিওর নারী চরিত্রটি সারিকার নয় বলে তার ঘনিষ্ঠজনরা জানান।

আনিকা কবির শখঃ জনপ্রিয় মডেল আনিকা কবির শখের নামে একটি ভিডিও ফুটেজ বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করে ২০১১ সালের মাঝামাঝিতে। ভিডিও ক্লিপটি প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথেই এটি নানাভাবে ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। ভিডিওতে বিবসনা নারীটি শখ ছিল না বলে জানা গেছে।

বিদ্যা সিনহা মীমঃ লাক্স সুপারস্টার জনপ্রিয় মডেল অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মীম বেশ ক্লিন ইমেজ নিয়েই মিডিয়ায় ছিলেন। কিন্তু এতে বাঁধা হয়ে উঠে একটি আপত্তিকর ভিডিও ফুটেজ। গত বছর এক বিদেশি ক্রিকেটারের সাথে আপত্তিকর দৃশ্যের এ ফুটেজ প্রকাশ হয়। এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। তবে এটা আসলেই তারকা বিদ্যা সিনহা মীম কিনা তা নিয়েও অনেকে সংশয় প্রকাশ করেন।

পড়শীঃ হালের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী পড়শীও রেহাই পায়নি এই সাইবার ক্রাইম থেকে। পড়শীর নাম ব্যবহার করে একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করা হয়। যদিও ভিডিওর মেয়েটি যে পড়শীই তা নিশ্চিত হতে পারেনি কেউ।

বিন্দুঃ নাট্যকার-সাংবাদিক অরুণ চৌধুরীকে জড়িয়ে একটি ভিডিও স্ক্যান্ডাল ছড়িয়ে পড়ে। আর এর সাথে যুক্ত হয় জনপ্রিয় টেলিভিশন তারকা বিন্দুর নাম। একটি অফিস কক্ষে গোপন ক্যামেরায় ধারণকৃত এই ভিডিওতে কথিত অরুণ চৌধুরীর সাথে যে নারীটিকে দেখা গেছে সেই নারীটি মডেল বিন্দু বলে বিভিন্নভাবে অপপ্রচার চালানো হয়।পরে জানা যায়, ভিডিও-চিত্রের তরুণী অভিনেত্রী বিন্দু ছিলেন না। সূত্র ঃ পূর্বপশ্চিম 

Related posts

Leave a Comment