ভোলাহাটে অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে সরকারী গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ

ভোলাহাট প্রতিনিধি: সরকারী গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে ভোলাহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ের অফিস সহকারী তৌহিদুল ইসলামের তৌহিদ বিরুদ্ধে। জানা যায় অফিস সহকারী তৌহিদুল ইসলাম ও নৈশ প্রহরী জয়নাল আবেদীন জনি, (জয়নাল আবেদীন জনির পিতা) সাজ্জাত হোসেন এর নামে ঝড়ে পড়া মরা গাছ ক্রয়ের নামে বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন প্রকল্প, ভোলাহাট অফিসে ৫শত টাকা জমা দেন। সেই জমা স্লিপের বলে তারা উপজেলার টাঙ্গনচর কবর স্থানের প্রায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা মূল্যের ১টি জীবন্ত শিশা ও ১টি জীবন্ত কড়াই গাছ কেটে নিজেদের হেফাজতে নেয়। মরা গাছ ক্রয় করে জীবনৃত গাছ কেটে নেয়ার বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় গুঞ্জন শুরু হয়। ব্যাপক সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরোজ হাসান তার অফিসের অফিস সহকারী তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ ও নৈশ প্রহরী জয়নাল আবেদীন জনিকে বাঁচাতে গাছ দুটির গুড়ি উদ্ধার করে উপজেলা ভূমি অফিসের সামনে ফেলে রাখেন। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরোজ হাসান এর নিকট মোবাইলে জানতে চাইলে তিনি দোষ চাপান উপজেলা বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন প্রকল্পের ঘাড়ে। তিনি বলেন- নিয়ম বহির্ভুতভাবে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্প, ভোলাহাট উপজেলা অফিস গাছ দুটি একজনের নিকট বিক্রয় করে। পরে অফিস সহকারী তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ ও নৈশ প্রহরী জয়নাল আবেদীন জনি ঐ ব্যক্তির নিকট হতে গাছ দুটি ক্রয় করে কেটে নিয়ে যায়। যেহেতু নিয়ম বহির্ভুতভাবে গাছ দুটি বিক্রয় করা হয়েছে, তাই তিনি গাছ দুটি উদ্ধার করে উপজেলা ভূমি অফিসের হেফাজতে রাখেন এবং কিসের বলে গাছ দুটি বিক্রয় করা হয়েছে তা বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্প উপজেলা অফিসের কাছে মৌখিকভাবে জানতে চেয়েছেন। এ বিষয়ে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্প উপজেলা অফিসের উর্ধ্বতন উপ সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল মঈনের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন-ঝড়ে পড়া খড়ি যোগ্য দুইটি মরা গাছ বিক্রয় করা হয়েছে সাজ্জাত হোসেনের কাছে। যার মূল্য পাঁচ শত টাকা সরকারী কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। অফিস সহকারী তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ ও নৈশ প্রহরী জয়নাল আবেদীন জনি যে গাছ দুটি কেটে নিয়ে গেছে, সেই গাছ দুটি আমরা বিক্রয় করিনি। তারা অবৈধভাবে গাছ দুটি চুরি করে কেটে নিয়ে গেছে, যার দায়ভার বরেন্দ্র অফিসের ঘাড়ে চাপানোর অপচেষ্টা চলছে। চুরি করে যারা সরকারী গাছ কেটে নিয়ে গেছে আমরা তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চায়।

Please follow and like us:

Related posts

Leave a Comment