পদ্মার পাড়ে কালাই রুটির আড্ডায় ওবায়দুল কাদের

0

আবার আসবো ফিরে, সুখ দুখের ঢেউ খেলানো পদ্মা নদীর তীরে। ১৭ ফেব্রুয়ারি রাজশাহীতে কর্মি সমাবেশের ভাষণের শেষে কথাগুলো বলেছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। পহেলা নভেম্বর তিনি আবার রাজশাহীতে এসে পদ্মার তীরে গেলেন। শুধু তাই না ওই সময় বলেছিলেন আবার কখনও রাজশাহী আসলে কালাই রুটি খাবেন। পদ্মাপাড়ে গিয়ে চটের নিচে বসে কালাই রুটি খেলেন। আবার মেতে উঠলেন আড্ডায়।

ঘড়ির কাটায় তখন সকাল সাড়ে ছয়টা। রাজশাহী মহানগরী শ্রীরামপুর পদ্মার পাড়। শহররক্ষা বাঁধের ওপর দোকান বিছিয়ে কেবলই কালাই-রুটিতে তা দেয়া শুরু করেছেন দোকানি। এ সময় হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ সেখানে উপস্থিত হন সেতুমন্ত্রী।

ওপরে চট টাঙানো। নিচে প্লাস্টিকের চেয়ার। তার ওপরেই বসে পড়লেন মন্ত্রী। গরম গরম কালাই রুটি খেলেন আর আদা চা পান করেলেন। এ সময় তেমন কেউ না থাকলেও কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রাণখুলে কথা বলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের দুই দিনের রাজশাহী সফরের দ্বিতীয় দিনের সকালটা ছিল এমনই। বুধবার সকালে সেতুমন্ত্রী রাজশাহী সার্কিট হাউস থেকে হাঁটতে বের হন। আর হাঁটতে হাঁটতে তার চিরচেনা স্বভাবে ফিরে আসেন। মিশে যান সাধারণ মানুষের সঙ্গে। কথা বলেন সমসাময়ীক রাজনীতি, অর্থনীতিসহ নানান বিষয় নিয়ে। সকাল বেলায় তাকে কাছে পেয়ে তরুণরা মোবাইল ফোনে সেলফিও তোলেন মন্ত্রীর সঙ্গে।

সকালের এই আড্ডায় মন দিয়ে শোনেন সাধারণ মানুষের কথা। এ সময় পদ্মাপাড়ের স্থানীয় মানুষ তাকে কাছে পেয়ে বিভিন্ন অভাব-অভিযোগের কথা তুলে ধরেন। সব শোনার পর সাবাইকে স্ব-স্ব ব্যাপারে আশ্বস্তও করেন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

পরে তার কালাই রুটি খাওয়ার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেন তরুণ কর্মীরা। একই সঙ্গে মন্ত্রীও তার কালাই রুটি দিয়ে নাশতার ছবি টুইট করেন। সরকারের প্রভাবশালী একজন নেতা ও মন্ত্রীর এমন আচরণে আবারও মুগ্ধ হন রাজশাহীবাসী। পরে বেলা ১১টায় মন্ত্রী রাজশাহী মেডিকেল কলেজ অডিটোরিয়ামে গিয়ে  আওয়ামী লীগের সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।


তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ