থানা কর্তৃপক্ষের গড়িমসি যৌন হয়রানির শিকার হয়ে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের কাছে ছাত্রীর অভিযোগ।

ময়মনসিংহ শহরের রামকৃষ্ণ মিশন রোডস্থ ছাত্রীদের সাথে অশোভন এবং আপত্তিকর আচরণের প্রেক্ষিতে তালেব আলী ম্যাট্সের চেয়ারম্যান ফজলুল হকের বিরুদ্ধে স্থানীয় রোষানল ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্থানীয়বাসী চেয়ারম্যান কে ইতোমধ্যেই অসামাজিক কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকতে এবং তালেব আলী ম্যাট্স নামক প্রতিষ্ঠানটিকে অন্যত্র সরিয়ে নিতে আল্টিমেটাল দিয়েছেন। এদিকে গত ২৯ অক্টোবর ২০১৬ তালেব আলী ম্যাট্সের আরেকজন ছাত্রী চেয়ারম্যান ফজলুল হক এর যৌন প্রতারনার শিকার হয়ে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক ( ডিসি) এর কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন। জেলা প্রশাসক অভিযোগটি গুরুত্বের সাথে আমলে নিয়ে তদন্তভারের জন্য অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) কে দায়িত্ব দিয়েছেন। জানাগেছে, নির্যাতিত ছাত্রী আরও একটি অভিযোগ ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানায় ওসির কাছে দায়ের করলেও কোতোয়ালী  মডেল থানা পুলিশ গড়িমসি করছে বলে অভিযোগ ছাত্রীটি অভিযোগ করেন । অন্যদিকে তালেব আলী ম্যাট্সের  এই অব্যাহত ন্যাক্যারজনক ঘটনা জনমনে ফাঁস হয়ে যাবার প্রেক্ষিতে চেয়ারম্যান ফজলুল হক বিষয়টিকে অন্যখাতে প্রবাহিত করার জন্য তার অনুগত বাহিনীকে বিপুল অর্থ দিয়ে তারপক্ষে একটি মানববন্ধন করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন। জানাগেছে, বছর দুই আগে তালেব আলী ম্যাট্েসর চেয়ারম্যান কর্তৃক দুই ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের  অভিযোগ পাবার পর চেয়ারম্যান ফজলুল হক ঘটনাকে অন্যদিকে প্রবাহিত করার চেষ্টা করলেও শিক্ষার্থীদের চাপের মুখে  পরে  চেয়ারম্যানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা নেয় থানা পুলিশ। এদিকে মামলা দিয়ে কিছু করতে না পারলেও ছাত্রীদের মার্কসীট ও সনদপত্র প্রদান করবে না বলে একই সুর তুলে যাচ্ছে। একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম নিয়ে এ ধরনের ন্যাক্যারজনক ঘটনার জন্মদিয়ে চলেছেন তালেব আলী ম্যাট্সের  চেয়ারম্যান ফজলুল হক যা রীতিমত নিন্দনীয় ও দুঃসাহসিক।  এ ব্যাপারে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক এর মাধ্যমে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) এর কঠোর পদক্ষেপ  গ্রহণ করার জন্য জোড় হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। অন্যদিকে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানায়  ছাত্রীটি অভিযোগ করল্ওে ৪ দিনেও কোন মামলা রজু হয়নি । ময়মনসিংহের সুশীল সমাজ ও স্থানীয়বাসী জেলা প্রশাসক এবং জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ।


Please follow and like us:

Related posts

Leave a Comment