দলের বাইরে থেকে আ’লীগের সৎ ও যোগ্য প্রার্থীর তালিকায় ২০০ জন

একটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন দুই মেয়াদে। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিকিৎসক, দুর্নীতি বা অনিয়মের

কোনো অভিযোগ নেই। এলাকার মানুষজন তাকে নিয়ে গর্ব করে। মানুষের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেন।

কিংবা সাবেক পুলিশের প্রধান কর্মকর্তা হলেও ঘুষ, দুর্নীতি তাঁকে স্পর্শ করেনি। এলাকায় তাঁর আছে আলাদা সম্মান বা মর্যাদা। অথবা সাবেক সচিব। এলাকার মানুষের জন্য দেদারসে কাজ করেছেন। তাঁর সততা নিয়ে অনেক মিথ আছে। এলাকার লোকজন দলমত নির্বিশেষে তাঁকে অভিভাবক মানেন। এরকম প্রায় ২০০ জনের একটি তালিকা তৈরি করেছে আওয়ামী লীগ।

সাদা মনের মানুষ। যাদের গ্রহণযোগ্যতা তাঁর এলাকায় এবং দেশে প্রশ্নাতীত। আওয়ামী লীগ নয় বরং পেশাগত দক্ষতা, কর্মজীবনে নিষ্ঠার জন্য তাঁরা আলোকিত এবং আলোচিত। আওয়ামী লীগের রাজনীতি সরাসরি না করলেও পেশাজীবনে এরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে লালন করেছেন। কর্মজীবনে এদের কোনো পদস্খলন নেই। এদের অনেকের খ্যাতি আবার দেশের সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রসারিত।

এই সব ব্যক্তিদের মধ্যে থেকে ৫০ থেকে ১০০ জন এবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাবেন।

  • আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত উদ্যোগ এবং আগ্রহে এরকম পরিষ্কার এবং পরিচ্ছন্ন মানুষের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এই তালিকা কমবেশি ২০০ জনের। এদের মধ্যে সাবেক আমলা আছেন ২৫ জন। চিকিৎসক আছেন ৩০ জন। প্রকৌশলী ২০ জন। শিক্ষক ১০ জন। সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ১৫ জন। উন্নয়ন কর্মী ১০ জন। কূটনীতিক ৫জন। অভিনয় শিল্পী, সংগীত শিল্পী ১০ জন। প্রবাসী বাঙালি ১০ জন। আইনজীবী ২৫ জন। ব্যবসায়ী ৩০ জন। সমাজসেবক ৫ জন। কৃষিবিদ ৫ জন।

এদের মধ্যে ৫০ থেকে ১০০ জন আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের টিকিটি পেতে পারেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি বিভিন্ন বিষয়ে এদের ডাকছেন। তাঁদের খোঁজ খবর নিচ্ছেন। এলাকা নিয়ে তাদের আগ্রহ শুনছেন। কয়েকজনের কাছে জানতে চেয়েছেন নির্বাচনে আগ্রহী কিনা। কয়েকজনকে আগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে এলাকায় কাজ করতে পরামর্শ দিয়েছেন।

আওয়ামী লীগ তার মাঠ জরিপে প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় একজন সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তির নাম জানতে চেয়েছেন। এমন একজন ব্যক্তি যাকে দলমত নির্বিশেষে পছন্দ করে। এরকম জরিপে এরকম ২০০ ব্যক্তির নাম এসেছে।

তবে, মজার ব্যাপার হলো, এরকম অন্তত ১২৫টি আসন পাওয়া গেছে যেখানে একটিও এমন সাদা মনের মানুষ নেই। আবার এমন অনেক আসন পাওয়া গেছে যেখানে এরকম অভিভাবক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তিই রয়েছেন।

যেমন একটি আসনে পুলিশের একজন সাবেক প্রধান এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন একজন চিকিৎসক রয়েছেন। দুজনই এলাকার গর্বের ব্যক্তিত্ব। এরকম ক্ষেত্রে কি করা হবে তা নির্ধারণ করবেন দলের সভাপতি।

তবে, ওই ২০০ জনেরই এলাকায় গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নাতীত। তাদের ব্যক্তিগত ইমেজ এবং আওয়ামী লীগের ভোট সম্মিলিত হলে তারা নির্বাচনে অপ্রতিরোধ্য হয় উঠবেন। সুত্রঃ সম্পাদক.কম


Please follow and like us:

Related posts

Leave a Comment