তবুও আওয়ামীলীগ প্রার্থী সঙ্কটে

0

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরশেনের মেয়র পদে উপ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্রার্থী সঙ্কটে পড়েছে।  নির্বাচন অনিশ্চিত হতে পারে। এদিকে বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগ প্রার্থী সঙ্কটে পড়েছে, বিশেষ করে আনিসুল হকের মতো সকল মহলেই সমান জনপ্রিয় একজন মেয়রের অকাল মৃত্যুতে। প্রার্থী হিসেবে আনিস যেমন ছিলেন রাজনীতিতে চমক সৃষ্টি করে আসা, তেমনি তিন বছরের কর্মকাণ্ডের ভেতর দিয়ে সবার হৃদয় জয় করে মেয়রের আসনকে এমন উচ্চতায় দাড় করিয়ে চলে গেছেন, যেখানে তার দল আওয়ামীলীগ আনিসুল হকের পরিবার দল বা বাইরে সেই উচ্চতার প্রার্থী খুঁজে পাচ্ছে না।  এখন পর্যন্ত যাদের নাম আলোচিত হচ্ছে ভোটারদের সামনে মনস্তাত্বিক জায়গা থেকে, কেউই আনিসুল হকের শূণ্যস্থান পূরণ করবেন এমনটি দল ভাবছে না।

সাবের হোসেন চৌধুরির নাম এসেছিল। প্রার্থী হিসেবে তিনি ছিলেন গ্রহনযোগ্য। কিন্তু ঢাকা দক্ষিণের ভোটার হবার কারণে তিনি উত্তরে প্রার্থী হতে পারেন না। জাতীয় নির্বাচনে এক জায়গার ভোটার হলে অন্য যেকোনো আসনে নির্বাচন করা যায়। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সেটি সম্ভব নয়। সাবের হোসেন চৌধুরির নাম এখানেই শেষ। এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি এ কে আজাদের নাম আলোচনায় এলেও তার কোনো ক্যারিশমাটিক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য যেমন নেই, তেমনি দলের প্রতি কতটা আনুগত্য রয়েছে সেই প্রশ্ন উঠে এসেছে। এককালের রুপালি পর্দার নায়িকা মিষ্টি মেয়ে কবরীর নাম গণমাধ্যমে এলেও আওয়ামীলীগ হাইকমাণ্ড আমলে নিচ্ছে না। দল মনে করে, মেয়র নির্বাচনে দলীয় ইমেজের বাইরেও আলাদা ইমেজ থাকা চাই। নানান বিষয় ফ্যাক্টর হয়ে ওঠে। আনিসুল হকের স্ত্রী রুবানা হক ও পুত্র নাভিদুল হকের নাম এলেও রুবানা ভোটযুদ্ধে নারাজ। নাভিদুল বিবেচনায় থাকলেও আত্মবিশ্বাসের জায়গা নিতে পারেননি। মহানগর আওয়ামীলীগ নেতা একে রহমত উল্লাহ ও সাদেক খানের নাম আলোচনায় এসেছে।  রহমত উল্লাহ নগরতলীর ভোটারদের মধ্যে ইমেজও আছে। সাদেক খান তিনবারের সিটি কমিশনার ও দুবারের প্যানেল মেয়রের অভিজ্ঞতা রয়েছে। কিন্তু মেয়র প্রার্থী হিসেবে তারা আবেদন তৈরি করতে পারবেন এমনটি নেতাদের অনেকেই মনে করেন না। এককালের ছাত্রনেতা ও সরকারি আমলা থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক একান্ত সচিব আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিমের নাম জোরেশোরে বইছে। অনেকে বলছেন, আনিস পরিবারের বাইরে হলে অন্য যে কারো থেকে তিনি শক্তিশালী প্রার্থী। গণমাধ্যম থেকে সমাজের বিভিন্ন পেশার মানুষদের সঙ্গে তার গভীর নৈকট্য রয়েছে। নোয়াখালি অঞ্চলের ভোট ব্যাংকে তারও দখলদারিত্ব আছে। ব্যবসায়ি সমাজের সঙ্গে রয়েছে নিবিঢ় যোগাযোগ। দলের প্রতি রয়েছে আনুগত্য। তারপরেও এতো এতো প্রার্থীর নাম চারদিকে প্রচার হচ্ছে, তবুও আওয়ামীলীগ নেতারা মনে করেন, আনিস অন্য উচ্চতায় নিজের ইমেজ রেখে বিদায় নেয়ায় দল প্রার্থী সঙ্কটে পড়েছে। pbd.news

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ