সদ্য প্রাপ্ত
আয় বর্ধক খাতে সেলাই মেশিন ও ক্ষুদ্র ব্যবসার পুঁজি বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে অনুষ্ঠিত হল ঐতিহ্যবাহী ঘোড় দৌড় প্রতিযোগিতা ► (ভিডিও) শিবগঞ্জে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল উদ্ধার : গ্রেফতার ২ ময়মনসিংহে এস আই মলয় চক্রবর্তীর বিলাসবহুল বাড়ী চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ চোর চক্রের দু’ সদস্য গ্রেফতার সোনামসজিদ সীমান্তে আটক ৯টি উট চিড়িয়াখানায় হস্তান্তরের দাবিতে মানববন্ধন ভোলাহাটে প্রশাসনের শীতবস্ত্র বিতরণ ভোলাহাটে শীতের কাঁপনি থামছেই না চাঁপাইনবাবগঞ্জে সোনার মোড় মৃধাপাড়ায় তাফসীরুল কুরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে স্টুডেন্ট কমিউনিটি পুলিশিংয়ের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

জনপ্রতিনিধিদের প্রত্যয়ন উপেক্ষা করে চোরের পক্ষে পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন

চাঁপানবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : চাঁপানবাবগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শামসুলের বিরুদ্ধে আদালতে মনগড়া তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগি বলছে, ঘুষ না দেওয়ায় গরু চোরের পক্ষে আদালতে এমন আপত্তিকর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে চাঁপানবাবগঞ্জ সদর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ। এনিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সাধারন মানুষ।

অভিযোগ ও তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, রামকৃষ্টপুর মাঝপাড়া এলাকার শাহ আলমের একটি বকনা গরু প্রতিদিনের মত বাগানে চরতে যায়। হঠাৎ একদিন গরুটিকে নিজের গরু বলে দাবী করে নিজ হেফাজতে আটকিয়ে রাখে প্রফেসরপাড়া এলাকার সালাউদ্দীন । এদিকে নিজের গরু ফিরে পেতে জনপ্রতিনিধিদের শরনাপন্ন হন ভুক্তভোগি শাহ আলম । ছয় মাস আগে হারিয়ে যাওয়া গরু ফিরে পেয়েছি বলে দাবী করেন সালাউদ্দীন। নিজের গরু ফিরে পেতে দিনমজুর শাহ আলম ও হারিয়ে যাওয়া গরু ফিরে পেয়েছি মর্মে সালাউদ্দীন পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেন উভয় পক্ষ। সদর পুলিশ ফাঁড়ির সাধারন ডায়েরী নং ৩৮২ তারিখ – ২৬/০৯/২০১৭ ও জি.ডি নং – ৩৭৭, তারিখ – ২৬/০৯/২০১৭। চাঁপানবাবগঞ্জ আমলী আদালতের ফৌজদারি মিস কেস নং -০১, তারিখ- ০২/১০/১৭ ( নবাবগঞ্জ)। ঘটনাটি পুলিশ ফাঁড়ির পাশে হওয়ায় গরুটির দাবীদার সালাউদ্দীন ফাঁটির ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন । অন্যদিকে নিজের গরু ফিরে পেতে থানায় অভিযোগ করতে গেলে ফাঁড়িকে তদন্তের নির্দেশ দেন সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ। উভয় পক্ষের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন ফাঁড়ির ইনচার্জ শামছুল। পুলিশের মন গড়া প্রতিবেদনে গৃহপালিত গরু হারিয়ে ন্যায় বিচারের আসায় আদালতে ঘুরছে ভুক্তভোগি শাহ আলম।

সুত্র জানায়, তদন্ত প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত গরুটিকে ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের জিম্মায় রাখার নির্দেশ দেন আদালত। রামকৃষ্টপুর এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুল হাকিম, ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল বারেক, ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জিয়াউর রহমান আরমান, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাসকুরা বেগম গরুটির বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে স্থানীয় চার জন জনপ্রতিনিধি শাহ আলমের পক্ষে প্রত্যায়ন পত্র দেন। তবে জনপ্রতিনিধিদের প্রত্যায়ন পত্রকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে আদালতে মনগড়া তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন ফাঁড়ির ইনচার্জ শামছুল। এঘটনায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী। তদন্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত সালাউদ্দীন কে গরুটি প্রদানের নির্দেশ দেন। তবে আদালতের এই নির্দেশনা ও তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিলের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান হয়রানির শিকার শাহ আলম ।

এলাকাবাসী জানান, একজন গরিব মানুষের একমাত্র সম্বল গরুটি নিয়ে পুলিশের এরকম মনগড়া প্রতিবেদন আশা করিনি। যে কোন মূল্যে শাহ আলমকে গরুটি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবী জানান এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলকারী ইনচার্জ শামছুল এর সাথে যোগাযোগ করা হলে প্রতিবেদককে বলেন বিষয়টা অন্যভাবে সমাধানের চেষ্টা করছি। প্রতিবেদক পূণরায় যোগাযোগ করে বিষয়টির অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন আপনাদের যা খুশি করেন।

ক্রাইম নিউজ ২৪ এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
ব্রেকিং নিউজঃ
ব্রেকিং নিউজঃ