চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে গবাদিপশু আমদানি, ১৫ কোটি টাকা রাজস্ব আয়

0

ফারুক আহমেদ চৌধুরী: চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার জোহরপুর বিওপি সংলগ্ন জোহরপুরট্যাক ও শিবগঞ্জ উপজেলার ওয়াহেদপুর বিওপি সংলগ্ন ওয়াহেদপুর বিট/খাটাল দিয়ে (মে’১৭ থেকে ২৫ জানুয়ারি’১৮) ৯ মাসে প্রায় ৩ লক্ষ গবাদীপশু আমদানি করেছে ব্যবসায়ীরা। প্রতিটি গবাদীপশু থেকে সরকারী রাজস্ব খাতে জমা হয় ৫ শত টাকা। সে হিসেবে এ দু’টি বিট/খাটাল দিয়ে আমদানীকৃত গবাদীপশু থেকে সরকার রাজস্ব আয় করেছে প্রায় ১৫ কোটি টাকা। বিট/খাটাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ওয়াহেদপুর সীমান্ত ফাঁড়ি সংলগ্ন ওয়াহেদপুর বিট/খাটাল দিয়ে গত ৯ মাসেন প্রায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার গবাদীপশু আমদানি করা হয়েছে। এছাড়াও ১৮ ডিসেম্বর’১৭ থেকে ২৫ জানুয়ারি’১৮ পর্যন্ত মাত্র ৩৭ দিনে ওয়াহেদপুর বিট/খাটাল দিয়ে প্রায় ৩৬ হাজার গরু-মহিষ আমদানি করা হয়েছে। দেশে মাংসের চাহিদা পূরণ ও রাজস্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০১৪ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর সীমান্তে বিট-খাটাল নীতিমালা জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সীমান্ত ফাঁড়িসংলগ্ন স্থানে খাটাল স্থাপন ও সীমান্তপথে গবাদিপশু এনে রাজস্ব আদায়ের মাধ্যমে বিভিন্ন গন্তব্যে চালান করার নির্দেশনা রয়েছে এ নীতিমালায়। নীতিমালা জারির পর দেশের পশ্চিম সীমান্তের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় সাতটি বিট খাটালের অনুমতি দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় বিট খাটালগুলো, ওয়াদেপুর, রঘুনাথপুর, সাতরোশিয়া, বাখের আলী, চরবাগডাঙা, হাকিমপুর ও ফরিদপুর। কিন্তু এর মধ্যে শুধুমাত্র শিবগঞ্জ উপজেলার পদ্মার পশ্চিম পাড়ে অবস্থিত ওহায়েদপুর ও সদর উপজেলার জোহরপুর ট্যাক এই দুইটি বিট খাটাল দিয়ে বর্তমানে গরু-মহিষ বাংলাদেশে আসছে। বাকি ঘাট গুলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পায়নি। তবে কি কারণে ওই বিট খাটালগুলো অনুমোদন পায়নি তা জানাতে পারেননি বন্ধ বিট খাটালে সংশ্লিষ্টরা। শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট করিডোর ও সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা করিডোরের মাধ্যমে এসব বিট খাটালি দিয়ে আমদানিকৃত গবাদিপশু থেকে রাজস্ব আদায় করে থাকে কতৃপক্ষ ।

গরু ব্যবসায়ীরা জানান, বিট খাটাল দিয়ে গরু মহিষ আসলে অসংখ্য গরু ব্যাবসায়ীর বেকারত্ব দূর হয় । দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যাবসায়ীরা আসে এ এলাকায় ফলে চাঙ্গা হয়ে উঠে গ্রামীণ অর্থনীতি । গরু-মহিষ প্রতি সার্ভিস চার্জ (রাখাল খরচ) ২০ টাকা এবং অবস্থান ফি ৩০ টাকা। এছাড়াও করিডোরের ছাড়পত্র নিতে ৫০০ টাকা । ফেরি ঘটে গরু-মহিষ প্রতি ১৫০ টাকা । এছাড়াও সীমান্ত থেকে নদী পার করে দেয়া পর্যন্ত প্রতিটি গরুর জন্য রাখালকে দিতে হয় ২০০ টাকা করে বলে জানান তিনি। সে হিসেবে আরও প্রায় ১৫ কোটি টাকা আয় করে দিন মজুর , রাখাল, ঘাটের মাঝি, হোটেল মালিকসহ স্থানীয়রা ।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

ব্রেকিং নিউজঃ