শাকিব-অপুর বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি

0

২০০৮ সালে গোপনে বিয়ে করেছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের এই সময়ের সবচেয়ে আলোচিত জুটি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস। দীর্ঘ ৯ বছর সবকিছু গোপনেই রাখেন তারা। এর মধ্যে আবার ২০১৬ সালের শুরুর দিকে হঠাৎই উধাও হয়ে যান নায়িকা অপু। ফিরে আসেন ২০১৭ সালে। হঠাৎ করে যেমন উধাও হয়েছিলেন, গত বছরের ১০ এপ্রিল সাত মাসের ছেলে আব্রাম খান জয়কে নিয়ে ঠিক হঠাৎই বেসরকারি টিভি চ্যানেল নিউজ টোয়েন্টিফোরের লাইভ অনুষ্ঠানে হাজির হন নায়িকা।

হঠাৎ লাপাত্তা হয়ে যাওয়ার সময়ে শাকিব-অপু জুটির চুক্তিবদ্ধ বেশ কয়েকটি ছবির শুটিং অসম্পূর্ণ ছিল। কোনোটার অর্ধেক, কোনোটার বা ৭০-৮০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছিল। কিন্তু গত ২২ ফেব্রুয়ারি তারকা এ জুটির বিবাহবিচ্ছেদের কারণে হুমকিতে পড়েছে সেসব ছবির বাকি কাজ। ছবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘পাংকু জামাই’, ‘লাভ ২০১৪’, ‘মা’, ‘মাই ডার্লিং’ প্রভৃতি। এসব ছবির প্রায় ৭০ ভাগ শুটিং শেষ হয়েছে।

সন্তান নিয়ে নায়িকা অপু বিশ্বাস প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই শাকিব খান তার সঙ্গে মুখ দেখাদেখি বন্ধ করে দিয়েছেন। একসঙ্গে ক্যামেরার সামনেও দাড়াচ্ছেন না। যার কারণে সম্পূর্ণ হচ্ছে না ওই সকল ছবিগুলোর বাকি কাজ। যার কারণে বিশাল অঙ্কের লোকসানের মুখে পড়তে যাচ্ছেন সেসব ছবির প্রযোজকরা। এ কারণে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার চিন্তা-ভাবনা করছেন অনেকে।

‘মাই ডার্লিং’ ছবির প্রযোজক মোহাম্মদ হিমেল, ‘পাঙকু জামাই’ এর পরিচালক মনতাজুর রহমান আকবর, ‘মা’ ছবির পরিচালক কালাম কায়সার- এরা সকলেই শাকিব-অপুর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেছেন। ছবির কাজ শেষ না হলে সকলেই বিপুল পরিমান টাকার লোকসানে পড়বেন বলে আশঙ্কা করছেন। এই পরিস্থিতিতে মামলা করা ছাড়া তাদের আর কোনো উপায় নেই বলে গণমাধ্যমকে বলেছেন।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেছেন, ‘আমি শুনেছি কয়েকজন প্রযোজক শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ মামলা করবেন। আমি মনে করি, তারা তা করতেই পারেন। কেননা, একটি ছবির সঙ্গে একজন প্রযোজকের কোটি কোটি টাকা যুক্ত থাকে। পরিচালক-প্রযোজকদের ক্যারিয়ারও নির্ভর করে নির্মিত ছবির ওপরে।’

প্রসঙ্গত, সন্তান নিয়ে প্রকাশ্যে আসার কয়েক মাস পরেই বিভিন্ন অভিযোগ এনে গত বছরের ২২ নভেম্বর অপু বিশ্বাসকে তালাকের নোটিশ পাঠান শাকিব খান। এরপর তারকা এ জুটির সংসার টেকাতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন একাধিকবার সালিশি বৈঠক বসালেও কোনো লাভ হয়নি। চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি তালাকের নোটিশ পাঠানোর ৯০ দিন পূর্ণ হয়। আইনগত ভাবে ওইদিন থেকেই শাকিব-অপুর তালাক কার্যকর হয়ে গেছে। সেদিন থেকেই তারা আর স্বামী-স্ত্রী নন। ঢাকাটাইমস

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

ব্রেকিং নিউজঃ