আবারও বাড়বে গ্যাসের দাম

0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সার কারখানা, ক্যাপটিভ পাওয়ার, সিএনজি, শিল্প-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে আবারও গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সরকার। গ্যাসের জন্য ভর্তুকি বন্ধে আগামী মাস থেকেই এ মূল্য বৃদ্ধি করা হতে পারে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্র।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ও সার সারখানায় ২০০ শতাংশ করে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করা হতে পারে। এ ছাড়া অন্য শিল্পকারখানা, ক্যাপটিভ পাওয়ার, সিএনজিসহ অন্য খাতগুলোয় ৪০-১০০ শতাংশ মূল্য বাড়তে পারে। তবে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে এবার বাসাবাড়িতে গ্যাসের মূল্য বাড়ানো হবে না।

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে বাসাবাড়িকে আওতামুক্ত রেখে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে তারা। বর্তমানে মোট উৎপাদিত গ্যাসের প্রায় ১৫ শতাংশ বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত হচ্ছে।

গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোয় বর্তমানে প্রতি ইউনিট গ্যাসের জন্য খরচ হচ্ছে ৩.১৬ টাকা। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী মূল্য বৃদ্ধি হলে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোকে প্রতি ইউনিট গ্যাসের মূল্য দিতে হবে ৯.৪৮ টাকা। এ খাতে উৎপাদিত গ্যাসের ৪১ শতাংশের বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য ২০০ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে তিতাস। বর্তমানে মোট উৎপাদিত গ্যাসের ৪১ শতাংশই বিদ্যুৎ খাতে খরচ হয়।

সার কারখানায় বর্তমানে প্রতি ইউনিট গ্যাসের জন্য মূল্য দিতে হয় ২.৭১ টাকা। এ ক্ষেত্রে নতুন প্রস্তাব কার্যকর হলে প্রতি ইউনিট গ্যাসের মূল্য হবে ৮.১৩ টাকা। উৎপাদিত মোট গ্যাসের প্রায় ১০ শতাংশ ব্যবহৃত হয় সার কারখানায়।

শিল্প-কলকারখানায় বর্তমানে প্রতি ইউনিট গ্যাসের জন্য খরচ হচ্ছে গড়ে ৭.৭৬ টাকা। এ খাতে প্রস্তাব অনুযায়ী ১০০ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব কার্যকর হলে প্রতি ইউনিট গ্যাসের জন্য গ্রাহককে পরিশোধ করতে হবে ১৫.৫২ টাকা।

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাসের (সিএনজি) জন্য ৩০-৩৫ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মীর মশিউর রহমান।

এদিকে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) একজন শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, চলতি বছর ১০০০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি আমদানি করতে ১৪ হাজার টাকা থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হবে। এ টাকা সমন্বয় করতে তিতাস-সহ সব বিতরণ কোম্পানিকে এলএনজির মূল্য সমন্বয় করে বিইআরসি-কে প্রস্তাব জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জ্বালানী মন্ত্রণালয়।

সূত্র: অর্থসূচক

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

ব্রেকিং নিউজঃ