প্রেম করে বিয়ে, স্ত্রীকে ছেড়ে শ্যালিকার ওপর নজর! অতঃপর…

0

মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য স্কুলে অ্যাডমিট কার্ড আনতে যাওয়ার পর গত ২ মার্চ থেকে রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হন ১৬ বছরের এক স্কুলছাত্রী। এরপর মেয়েটির পরিবারের পক্ষথেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশের পাশাপাশি নাবালিকার পরিবারের সদস্যরাও ওই কিশোরীর খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। আর সেই সময়টাতেই জানা যায় ওই স্কুলছাত্রীর বড় বোনের স্বামী তপন বারুইও নিখোঁজ রয়েছে।

নাবালিকা ওই কিশোরীর খোঁজাখুঁজি করতে গিয়ে তার পরিবারের সদস্যরা জানতে পারে যে, তপন বারুই উত্তরপ্রদেশে তার শ্যালিকাকে লুকিয়ে রেখেছে।

এরপর পরিবারের সদস্যেরা সেই মতো উত্তরপ্রদেশ থেকে তপনের কাছ থেকে নাবালিকা ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে আনেন।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর ২৪ পরগণা জেলার হাবরা এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটেছে।

ওই স্কুলছাত্রীর বাবা কেনা দাস জানান, তার বড় মেয়ে টুম্পা দাসকে ভালোবেসে বিয়ে করে তপন এবং তাদের চার বছরের একটি পুত্রসন্তানও রয়েছে।

টুম্পা দাসের অভিযোগ করে বলেন, ভালোবেসে বিয়ে করলেও বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের জন্য প্রচণ্ড অত্যাচার করত তপন। এছাড়াও তপন তাকে মেরে ফেলার হুমকি দিত বলেও অভিযোগ করেন টুম্পা।

ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীর পরিবার দাবি করেন, ঠান্ডা পানীয়ের সঙ্গে কিছু খাইয়ে সেই কিশোরীকে গাড়িতে তুলে উত্তরপ্রদেশে নিয়ে যায় তপন। বোনের অপহরণের সঙ্গে স্বামী যুক্ত থাকার খবর পেয়ে তপনের কড়া শাস্তি চেয়েছেন স্ত্রী টুম্পা।

এদিকে, তপন নারীপাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অপহৃত নাবালিকা ওই স্কুলছাত্রীর বাবা।

ইতোমধ্যে এ ঘটনা ঘটানোর জন্য তপনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

তবে দুঃখজনক হলো- এ ঘটনার জেরে ওই ওই ছাত্রীর চলতি বছর আর মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়া হলো না বলে জানা গেছে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

ব্রেকিং নিউজঃ