আজ চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, উৎসবের আমেজ

0

আজ চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নগরীর পটিয়া কলেজ মাঠে জনসভায় ভাষণ দেবেন তিনি। পাশাপাশি জনসভাস্থল থেকেই ৪২টি প্রকল্প উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

নির্বাচনী বছরে প্রধানমন্ত্রীর এই জনসভা ঘিরে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে চট্টগ্রামজুড়ে। সবার দৃষ্টি প্রধানমন্ত্রীর দিকে। দলের অনেক নেতা আওয়ামী লীগ সভাপতির কাছ থেকে আগামী নির্বাচনে দলের মনোনয়নপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণার আশায় বুক বেঁধে রয়েছেন। অন্যদিকে পটিয়াকে জেলা ঘোষণা করা হবে এমন প্রত্যাশা এলাকাবাসীর। প্রধানমন্ত্রীর জনসভার সব প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। জনসভা শান্তিপূর্ণ ও বর্ণাঢ্য করতে পটিয়া কলেজ মাঠে বসানো হয়েছে উচ্চক্ষমতার ৯০টি সিসিটিভি। সেইসঙ্গে নৌকা আকৃতির ৮০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩২ ফুট প্রস্থের বর্ণিল জনসভামঞ্চ বানানো হয়েছে। বক্তব্য শোনার জন্য মাঠের বাইরে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে মাইকের ব্যবস্থা থাকছে।

প্রসঙ্গত, ২০০১ সালে তৎকালীন পটিয়া আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভা করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। জনসভা প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেন, উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ গড়তে শেখ হাসিনার সরকারের বিকল্প নেই। জনসভা জনসমুদ্রেই পরিণত হবে বলে জানান তিনি।

দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বলেন, কর্ণফুলী নদীতে কালুরঘাট সেতু, কর্ণফুলীর দক্ষিণ পাড়ে বন্দর সম্প্রসারণ, দক্ষিণ চট্টগ্রামে বিভাগীয় মানের স্টেডিয়াম নির্মাণ, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক চার লেন করার সরকারি ঘোষণা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি দক্ষিণ চট্টগ্রামবাসীর দাবি থাকবে।

চট্টগ্রামে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক যুগ্মমহাসচিব সফিকুল বাহার মজুমদার টিপু বলেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আজীবন প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও প্রধান উপদেষ্টা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। মুক্তিযোদ্ধাদের শেষ আশ্রয়স্থল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বীরোচিত সংবর্ধনা দিতে সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। মুক্তিযোদ্ধারা সংসদের গেঞ্জি ও টুপি পরে জনসভায় যোগ দেবেন।

৪২ প্রকল্প উদ্বোধন : এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্রামে বসেই নগর ও গ্রামের ৪২টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনসভাস্থল থেকে ১২টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন এবং ২৮টির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। উদ্বোধন করা হবে এমন প্রকল্পের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো— আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু ফ্লাইওভার, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমপ্লেক্স ভবন, কালুরঘাট-মনসার টেক মহাসড়কে মিলিটারি সেতু, খোদার হাট সেতু, বাংলাদেশ মহিলা সমিতি স্কুল ও কলেজ, হাজেরা তজু ডিগ্রি কলেজ, খলিল মীর কলেজ, বাঁশখালী উপকূলীয় ডিগ্রি কলেজ, ফটিকছড়ির হেয়াকো বনানী কলেজ, রাঙ্গুনিয়া মহিলা কলেজ ও মিরসরাই প্রফেসর কামাল উদ্দিন চৌধুরী কলেজ আইসিটি সুবিধাসহ বহুতলা একাডেমিক ভবন, নাজিরহাট মাইজভাণ্ডার সড়ক এবং শেখ রাসেল ভাস্কর্য ও পটিয়া দক্ষিণ ভূর্ষি শেখ রাসেল মঞ্চ।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন : ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে— লালখান বাজার থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ, কর্ণফুলী নদীর তীর কালুরঘাট থেকে চাক্তাই পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ, চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল পুনঃখনন সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

ব্রেকিং নিউজঃ