চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে লক্ষ্যে পৌঁছাবে বাংলাদেশ : বাণিজ্যমন্ত্রী

0

সিএন ডেস্ক:

তোফায়েল আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তীর্ণ হওয়ার সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেল আয়োজিত ‘এক্সপোর্ট ডাইভারসিফিকেশন অ্যান্ড কমপিটিটিভনেস ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টে-২-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

২৩টি দাতা দেশ, ছয়টি আন্তর্জাতিক সংস্থা ও ৪৭টি স্বল্পোন্নত দেশ নিয়ে ১৯৯৭ সালে এ অংশীদারিমূলক কর্মসূচি শুরু হয়। ২০১৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত প্রকল্পে ব্যয় হবে ১৩ লাখ ডলার।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমাদের রফতানির সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক থেকে। শুধু একটি পণ্যের ওপর নির্ভর করে থাকলে চলবে না। রফতানি পণ্যসংখ্যা বৃদ্ধি ও বাজার সম্প্রসারণ করতে হবে। এ জন্য সরকার ইতোমধ্যে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় দেশের রফতানিপণ্য সংখ্যা বৃদ্ধি ও বাজার সম্প্রসারণের ওপর অধিক গুরুত্ব দিয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের আইসিটি খাত, ওষুধ শিল্প, জাহাজ নির্মাণ, কৃষিপণ্য রফতানি, চামড়াজাত পণ্য রফতানির মতো বেশ কিছু রফতানি খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে প্রবেশ করলেও ২০২৭ সাল পর্যন্ত এলডিসিভুক্ত দেশের সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবে। উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়ার পরও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো থেকে জিএসপি প্লাস নামে বাণিজ্য সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে ২০২৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশ নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবে এবং বিশ্ববাণিজ্য প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার যোগ্যতা অর্জন করবে। তখন বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্য আরও বৃদ্ধি পাবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ভিশন-২০২১ সফলতার মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতার ৫০ বছরপূর্তিতে বাংলাদেশ হবে ডিজিটাল মধ্য আয়ের দেশ। যারা একসময় বাংলাদেশকে তুচ্ছতাচ্ছিল্ল করে বলেছিল, বাংলাদেশ তলাবিহীন ঝুড়ি। বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ হবে দরিদ্র দেশের রোল মডেল। আজ ৪৬ বছর পর তারাই বলছে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে উন্নয়নশীল দেশে প্রবেশ করতে জাতিসংঘের দেওয়া তিনটি শর্তই পূরণ করেছে, অর্থাৎ যোগ্যতা অর্জন করেছে। ফলে বাংলাদেশ প্রাথমিকভাবে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে প্রবেশ করেছে মর্মে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। চূড়ান্ত পর্যায় অতিক্রম করবে ২০২৪ সালে। এরপরও তিন বছর অর্থাৎ ২০২৭ পর্যন্ত বাংলাদেশ এলডিসিভুক্ত দেশের সব বাণিজ্য সুবিধা ভোগ করতে পারবে।

বাণিজ্য সচিব শুভাশীষ বসুর সভাপতিত্বে এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত এক্সক্লুসিভ সেক্রেটারিয়েট ফর ইআইএফের নির্বাহী পরিচালক,  বিএফটিআই’র প্রধান নির্বাহী ও সাবেক সচিব  আলী আহমেদ, রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান বিজয় ভট্টাচার্য, এফবিসিসিআই’র প্রেসিডেন্ট সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, বিজিএমইএর প্রেসিডেন্ট মো. সিদ্দিকুর রহমান ও  ডব্লিউটিও সেলের মহাপরিচালক মো. মুনীর চৌধুরী।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

ব্রেকিং নিউজঃ