চুরি করতে এসে গৃহকর্ত্রীর হাতে চা-বিস্কুট খেল চোর

0

ঘরের দরজায় শিকল টানা, বাইরে ভিড়। খাটের নীচে থরথরিয়ে কাঁপছে চোর— এই বুঝি শুরু হয় গণপিটুনি!

কী করতে ঢুকেছিস বাড়িতে? সমস্বরে প্রশ্নের মিনমিনিয়ে উত্তর দেয়— দু’দিন খাইনি। তাই এসেছিলাম! এতেই মন গলে গৃহকর্ত্রী। উত্তেজিত পড়শিদের ঠান্ডা করে খাটের তলা থেকে বছর বাইশের শেখ জুয়েলকে বের করেন সিউড়ি শহরের ব্যবসায়ী নিমাইচন্দ্র মণ্ডলের পুত্রবধূ সীমাদেবী। চেয়ারে বসিয়ে চা, বিস্কুটও খাওয়ান। তারপর পুলিশ ডাকেন।

সোমবার পশ্চিমবঙ্গের কলেজপাড়ার এ ঘটনা রসদ জুগিয়েছে আড্ডায়।

জানা যায়, সকাল ৭টার দিকে রান্নাঘরে চা করছিলেন সীমাদেবী। তখনও ঘুম ভাঙেনি তাঁর স্বামীর। শ্বশুর গোসলে গিয়েছেন। খোলা ছিল মূল ফটক। সেই সুযোগে দোতলায় ওঠে জুয়েল ঢোকে নিমাইবাবুর ঘরে। খুটখাট আওয়াজ পান সীমাদেবী। উঁকি দিয়ে বোঝেন চোর ঢুকেছে ঘরে। দরজায় শিকল তুলে দেন। চেঁচিয়ে ডাকেন পড়শিদের।

চোর সন্দেহে গণপিটুনির ঘটনা বহুবার ঘটেছে সিউড়িতে। আইন হাতে না তুলে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে পুলিশ। এদিনও চোর পেটাতে প্রস্তুত ছিলেন বেশ কয়েক জন। কিন্তু, মারধরে সায় ছিল না সীমাদেবীর। পরে, রাত সাড়ে আটটা নাগাদ পুলিশ এসে অভিযুক্তকে থানায় নিয়ে যায়।

পুলিশের দাবি, জুয়েল হাতসাফাইয়ে পটু। হাতেনাতে ধরা পড়েছে।

সীমাদেবী অবশ্য বলছেন, সকালে গৃহস্থ বাড়িতে এসেছে। কিছু খায়নি বলেছিল। তাই চা দিলাম। স্বভাব খারাপ হলেও মানুষ তো!
সূত্র: আনন্দবাজার।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ