হিটলারের নাতি!

0

অ্যাডলফ হিটলারকে নিজের দাদা দাবি করা এক ফরাসি ব্যক্তির ডিএনএ পরীক্ষার জন্য স্যাম্পল সংগ্রহ করেছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভি। ৬২ বছর বয়সী ফিলিপ্পে লঁরেট’স সেলিভা নামক ওই ব্যক্তির দাবি, নাৎসি পার্টির নেতা হিটলার তার দাদা। খবর মিরর অনলাইনের।

রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবির কাছে সংরক্ষিত থাকা হিটলারের কথিত কঙ্কাল এবং চোয়ালের হাড়ের সঙ্গে ফিলিপ্পের স্যাম্পল মিলিয়ে দেখবেন বিজ্ঞানীরা। অনেক দিন থেকেই তিনি দাবি করে আসছেন, তার মৃত বাবা জিয়েন-মারিয়া লঁরেট নাৎসি নেতা হিটলারের অবৈধ সন্তান।

তার বিশ্বাস, ১৯১৬ সালের গ্রীষ্মে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অনেক আগে তার দাদি চার্লটন লবজই হিটলারের সঙ্গে বেশ কিছুটা সময় কাটিয়েছিলেন। ২৪ বছর বয়সী টগবগে তরুণ জার্মান কর্পোরাল হিটলার তখন যুদ্ধ করছিলেন উত্তর ফ্রান্সে।

ফিলিপ্পের ডিএনএ স্যাম্পল সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য মস্কোয় পাঠিয়েছে এনটিভি। ধারনা করা হয় ১৯৪৫ সালে স্ট্যালিনের সেনারা বার্লিনের বাঙ্কার থেকে হিটলারের জেনেটিক নমুনা সংগ্রহ করেছিলো। যেগুলো এখনও সংরক্ষিত আছে। সেই নমুনার সঙ্গেই মিলিয়ে দেখা হবে ফিলিপ্পের নমুনা।

ডিএনএ টেস্ট ছাড়াই ফিলিপ্পে বিশ্বাস করছেন তিনি হিটলারের নাতি। তবে ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমেই বিষয়টি নিশ্চিত হবে যে, তিনি ইতিহাসের অন্যতম আতঙ্ক সৃষ্টিকারী নেতার বংশধর কিনা।

‘এখানে সবসময় একটা সন্দেহ রয়ে গেছে। ডিএনএ টেস্টে নেগেটিভ হলে আর কোন কথা থাকবে না। আর পজিটিভ হলে আমার ধারণাটা নিশ্চিত হবে।’ বলছিলেন ফিলিপ্পে। ‘ফলাফল যদি নেগেটিভ হয় তাহলে আমাকে খুঁজতে হবে আমার প্রকৃত দাদাকে।’

নিজের মতের পক্ষে কিছু প্রমাণও আছে তার। তিনি জানান, ছোটবেলায় খেলার সময় একদিন তিনি এবং তার ছয় সহোদরকে তার বাবা বলেছিলেন, ‘বাচ্চারা, আমি তোমাদের কিছু বলতে চাই। অ্যাডলফ হিটলার তোমাদের দাদা।’

ফিলিপ্পে বলেন, ‘সেদিন আমরা সবাই স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। কি বলবো বুঝতে পারছিলাম না।’

১৯৪৪ সালে রয়্যাল প্রকৌশলী লিওনার্ড ইউলকিস (ডি-ডে’তে প্রথম দিকে নরম্যান্ডি বিচে অবতরণ করা সেনাদের মধ্যে একজন) ডায়রিতে লিখেছিলেন, ‘আজ একটি মজার দিন।’

‘সবশেষ যুদ্ধে (প্রথম বিশ্বযুদ্ধে) একজন করপোরাল হিসেবে হিটলার যে বাড়িতে থাকতেন সেখানে গিয়েছিলেন, এরপর ওই নারীর একটি সন্তান হয়, ছেলে সন্তান যে কিনা ফরাসি সেনাবাহিনীর হয়ে জার্মানদের বিপক্ষে লড়ছে।’

ফিলিপ্পে বলেন, হিটলার খুব ‘ভালো প্রেমিক’ ছিলেন তবে তিনি খুব দ্রুত ঈর্ষাকাতর হয়ে পড়তেন।

‘তিনি ঈর্ষকাতর ব্যক্তি ছিলেন এবং তার (ফিলিপ্পের দাদির) দিকে কোন পুরুষ তাকালে সেটাকে তিনি পছন্দ করতো না।’

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ