দুই সাংবাদিককে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ

0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

রাজশাহী প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন দুই সাংবাদিককে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার রাজশাহী বিভাগীয় মহাসচিব মাসুদ রানা ও সাংবাদিক মামুনুর রশীদকে ভূয়া গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে চারঘাট থানা মিথ্যে মামলায় গ্রেপ্তার করেছে। শুধু তাই নয় নির্যাতনমূলকভাবে কারাগারে অন্ধকার ঘর শেলে রাখা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে রাজশাহী প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলেন সাংবাদিক মাসুদ রানার স্ত্রী নাজনীন সুলতানা ও দুই সন্তান। এ সময় পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি মাসুদ রানার জামিন কামনা করেন তারা।

লিখিত বক্তব্যে মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার, রাজশাহী মহাসচিব মাসুদ রানার স্ত্রী বলেন, গত ২৯/০৪/২০১৮ইং তারিখে রাজশাহীর একাংশের সাংবাদিকদের প্রতিহিংসার শিকারে মাসুদ রানা ও মামুনুর রশীদকে ভূয়া গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে চারঘাট মডেল থানা মিথ্যে মামলায় গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করে। মামলার উল্লেখিত সাক্ষীরা ইতিমধ্যে তবলছেন যে ভূয়া গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে চারঘাট মডেল থানায় আটককৃতরা কেউ নিজেদের পুলিশ পরিচয় দেননি। তারা নিজেদের সাংবাদিক পরিচয়ই দিয়েছিল।

এছাড়া তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে প্রেস স্টিকার লাগানো ছিল। তারা কোর্টেও এমনটি বলবেন বলে জানিয়েছেন। এখানে শেষ নয় যাদের প্রতিহিংসার শিকার আমার স্বামী মাসুদ রানা ও তার সহকর্মী মামুনুর রশিদ তারা রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারা কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে কারাগারে আটক আমার স্বামী ও তার সহকর্মীকে অন্যায় ভাবে কারাগারে অন্ধকার ঘর (শেলে) রাখা হয়েছে।

আমার জানা মতে, দেশদ্রহী মামলা,জঙ্গী,কুক্ষ্যাত সন্ত্রসী অথবা কারাগারের অভ্যান্তরে কারাবন্দিদের নিয়ে বিদ্রহ করার চেষ্টা করলে তাদের রাখা হয় অন্ধকার ঘর (শেলে)। আমি বুঝে উঠতে পারছিনা যে কার হুকুমে এমনটি করছে রাজশাহী কারা কর্তৃপক্ষ। কারা কর্তৃপক্ষ কি উদ্দেশ্য নিয়ে তাদের সাথে এমন ব্যবহার করছে? আমি ও আমাদের পরিবার ভয়ের মধ্যে জীবন যাপন করছি কখন যেন কি খবর আসে? একইসাথে পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি আমার স্বামী কারাগারে থাকায় দুই শিশু সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলণ থেকে প্রধানমন্ত্রী,স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কারা অধিদপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষন করা হয়। একই সাথে জামিন না হওয়া পর্যন্ত অন্য কারাবন্দীদের ন্যায় সাধারনভাবে রাখার আবেদন জানানো হয়।
এ সময় ভুক্তভোগী মাসুদ রানার বড় ছেলে ইশারুল ইসলাম নূর (১৩) ও মেয়ে মায়েসা তাবাসসুম (৯) উপস্থিত ছিল।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

ব্রেকিং নিউজঃ