প্রেমিকাকে নিয়ে ভুট্টা ক্ষেতে গিয়ে আটক প্রেমিক!

0

প্রেমিকাকে ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ চেষ্টাকালে এক যুবককে আটক করে এলাকাবাসী। পরে যুবককে উক্ত প্রেমিকার বাড়িতে আটকে রাখা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ার এ ঘটনা ঘটে।

আটক প্রেমিক আপেল ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মধুপুর কাকলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুদেব চন্দ্র বর্মনের ছেলে। সে ঢাকায় পড়াশোনা করে।

জানা গেছে, কুজিশহরের এক কলেজ ছাত্রীর সঙ্গে দীর্ঘ দুই বছর প্রেমের সম্পর্ক ছিলো ট্রেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়ুয়া আপেলের।

এরই এক পর্যায়ে, শনিবার (১২ মে) আপেল ওই ছাত্রীর পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে প্রেমিকাকে নিয়ে মোটরসাইকেলে বড়দাপের জন্মভূমি পার্কে পৌঁছায়।

পরে সন্ধা ৬ টার দিকে প্রেমিকাকে জোরপূর্বক পাশের একটি ভুট্টা ক্ষেতে টেনে নেয়ার চেষ্টা করে আপেল। এ সময় প্রেমিকা ডাক-চিৎকার শুরু করলে পথচারীরা ছুটে এসে আপেলকে হাতে-নাতে আটকের পর মারধোর করে।

পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য সানোয়ার হোসেন প্রেমিক- প্রেমিকাকে তার হেফাজতে নেন। এরপর প্রেমিকাকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

উভয়পক্ষের চেয়ারম্যান ও মেম্বার এবং হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দসহ এলাকাবাসী রাতব্যাপী শালিসে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চালায়।

প্রেমিকার দাবি, আপেল যেহেতু তার সম্ভ্রম নষ্ট করেছে এবং সমাজে দুর্নামের মধ্যে ফেলেছে, কাজেই তার সঙ্গেই সে বিয়ে বসবে।

কিন্তু অপর পক্ষের লোকজন একমত না হলে শালিস স্থগিত রাখা হয়। এ অবস্থায় প্রেমিক আপেলকে রোববার বিকালে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওই বাড়িতে আটকে রাখা হয়।

ওই কলেজছাত্রী জানিয়েছে, আপেল তাকে বিয়ে না করলে সে আত্মহত্যা করবে।

তবে আপেলের বাবা সুদেব চন্দ্র বর্মন জানান, তার ছেলে আপেল বর্তমানে ঢাকায় লেখাপড়া করছে। কাজেই তার বিয়ের প্রশ্নই উঠে না।

ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল হক বাবু জানান, মেয়ে পক্ষের বিয়ে দেয়ার এক দাবির কারণে শালিসে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

রুহিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার রায় জানান, ছেলেমেয়ে তার এলাকার বাসিন্দা হলেও ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনাটি ঘটেছে পার্শ্ববর্তী আটোয়ারী থানা এলাকায়। কাজেই এ ক্ষেত্রে তার করণীয় কিছু নেই।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

ব্রেকিং নিউজঃ