কাঁদল হায়দরাবাদ, রোমাঞ্চকর জয়ে ফাইনালে চেন্নাই

0

একাদশ আইপিএলের প্রথম প্লে-অফে হায়দরাবাদকে ফাফ ডু প্লেসির ব্যাটে ২ উইকেটে হারিয়েছে চেন্নাই। এই জয়ে প্রথম দল হিসেবে ফাইনালে নাম লেখালো ধোনিব্রিগেড। এদিকে চলতি আইপিএলে এটা সানরাইজার্সের টানা চতুর্থ হার।

স্বল্প রান তাড়া করতে নেমেও চেন্নাইয়ের ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়তে হয়। হায়দরাবাদের করা ১৩৯ রানের জবাবে ব্যাটিংয়ে নামে ধোনির দল চেন্নাই সুপার কিংস। ভুবনেশ্বর কুমারের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলেই তুলে নেন চেন্নাইয়ের ইনফর্ম ব্যাটসম্যান ওয়াটসনকে।

ওয়াটসন আউট হয়ে গেলে ক্রিজে নামেন সুরেশ রাইনা। সুরেশ রাইনা আরেক ওপেনার ফ্যাফ ডু প্লেসিকে নিয়ে রানের গতি সচল রাখতে থাকেন। কিন্তু রাইনা ১৩ বলে ২২ রান করে কউলের বলে আউট হয়ে গেলে বিপদে পড়ে ধোনির দল চেন্নাই।

এর পরের বলেই ইনফর্ম ব্যাটসম্যান আম্বাতি রাইডুকে তুলে হ্যাট্রিকের দাড় প্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিলেন কউল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হ্যাট্রিকের দেখা পাননি কউল। দলীয় ৩৯ রানে রশিদ খানের করা প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় চেন্নাই। রশিদ খান ডেঞ্জার ম্যান ধোনিকে সাজঘরে ফেরত পাঠান। তাঁর পরের ওভারেই এসে চেন্নাইয়ের আরেক নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান ডিজে ব্রাভোকেও আউট করে চেন্নাইয়ের কফিনে পেরেক ঢুকিয়ে দেন। এরপর উইকেটে নামা রবীন্দ্র জাদেজাও একটু পর আউট হয়ে যান। কিন্তু অপর প্রান্তে একাই লড়াই চালিয়ে যান ফাফ ডু প্লেসি।  শেষ পর্যন্ত ৫ বল হাতে রেখেই ডু প্লেসির ব্যাটেই জয় ছিনিয়ে আনে চেন্নাই।  ডু প্লেসি  ৪২ বলে ৫ চার ও ৪ ছয়ে ৬৭ রানে অপরাজিত থাকেন। সেই সঙ্গে শেষ দিকে ব্যাটিংয়ে নামা ঠাকুরের ৫ বলে ১৫ রানের ছোট কিন্তু ঝড়ো ইনিংসও বেশ কাজে দিয়েছে চেন্নাইয়ের জয়ে।

হায়দরাবাদের হয়ে রশিদ খান, কউল ও সন্দীপ শার্মা দুই উইকেট শিকার করেন। সাইব দুই ওভার বল করে ২০ রান দেন। তবে সাকিবের প্রথম ১০ বলে মাত্র ১০ রান এসেছিল। কিন্তু শেষ দুই বলে এক চার ও এক ছয়ে আসে ১০ রান। সব মিলিয়ে দুই ওভারে ১০ ইকোনোমিতে ২০ রান দেন সাকিব। তবে সাকিবই একমাত্র বেশি রান দেওয়া বোলার নন। ব্র্যাথওয়েট ৩ ওভার বল করে ১০.৩৩ ইকোনোমিতে ৩১ রান এবং  সন্দীপ শার্মা ১০ ইকোনোমিতে ৩০ রান দেন।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ