চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা সেবা দিয়ে যাচ্ছে ২৪ ঘন্টা নেই কোন দালাল বা বহিরাগতদের উৎপাত

0

নিজস্ব প্রতিবেদক : চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ বাংলাদেশে আজ উন্নয়ের ধারা অব্যাহত রয়েছে। সবক্ষেত্রেই দেশ আজ উন্নতির দিকে। সেদিক থেকে পিছিয়ে নেই চাঁপাইনবাবগঞ্জও। বহুতল বিশিষ্ঠ ২৫০ শয্যা হাসপাতাল নির্মাণ, আধুনিক ও সুউচ্চ চীফজুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভবন নির্মাণ, উপজেলা পরিষদে সু উচ্চ বিভিন্ন দপ্তরের জন্য ভবন নির্মাণ, জেলায় রাবার ড্যাম নির্মাণ হতে যাচ্ছে, শেখ হাসিনা সেতু নির্মাণ, চরাঞ্চলের মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নতিকরণ, স্কুল-কলেজ, মাদরাসার নতুন ভবণ নির্মাণসহ এমন একাধিক উন্নয়নমূল কাজ হচ্ছে। ইতোমধ্যে বহু কাজ সম্পন্নও হয়ে গেছে।

সদরের পুরাতন বাজার সংলগ্ন মহানন্দা নদীর নিকটে অবস্থিত থানা। শুধু থানা বললে ভ’ল হবে। বলতে হবে আধুনিক, ডিজিটাল উন্নতমানের থানা এখন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে। শুধু চাঁপাইনবাবগঞ্জ বললে ভ’ল হবে, শিবগঞ্জ থানাও কোন অংশে কম নয় আধুনিকতার দিক দিয়ে। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জিয়াউর রহমান পিপিএম জানান, সারা দেশের ন্যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের থানাও পরিবর্তন হয়েছে। এখন খুব সহজেই মানুষ অভিযোগ দিতে পারে। জিডি কিংবা মামলা করার ক্ষেত্রে এ্যাসিসট্যান্ড সাবইন্সপেক্টর (এএসআই) মোসা. রক্সি খাতুন ও মোসা. আম্বিয়া সব রকম সাহায্য সহযোগীতা করে থাকেন আগত মানুষদের। থানার মূল প্রবেশ পথের সোজাই দেখা যাবে কাঁচ দিয়ে ঘেরা ঘর। কিছুদিন আগেই সেখানে ওসি তদন্ত আতিকুল ইসলাম বসতেন। সেটা এখন ওয়েটিং রুম এবং সামনেই রয়েছে অভিযোগ কিংবা পরামর্শের জন্য বুথ বা কাউন্টার। সেখানেই ২ জন নারী সদস্য নিজ দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে থানায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিটি রুমে নিজ নিজ দায়িত্বে াফিসারগণ কাজ করছেন। ওসি মো. জিয়াউর রহমান পিপিএম তার নতুন রুমে কয়েকজনকে নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাতে দেখা গেল। অন্যদিকে ওসি তদন্ত আতিকুল ইসলামের ঘরে উঁকি দিতেই দেখা গেল কম্পিউটারে মামলার নথিপত্র নিয়ে কাজ করছেন। দুপুর প্রায় সাড়ে ৩ টা, দরজা থেকেই জিজ্ঞাসা করলাম দুপুরের লাঞ্চ করেছেন কিনা। জবাবে আতিকুল ইসলাম বললেন, ভাই কাজটা শেষ করে লাঞ্জ করব। আরেক ঘরে দেখি ওসি অপারেশন মো. ইন্দ্রিশ আলী কিছু মানুষের অভিযোগ সম্পর্কে কথা বলছেন। থানার গেটে ঢুকতেই দুজন পুলিশ কন্সটেবল আটকে বলল, কে আপনি, কোথায় যাবেন, কার সাথে দেখা করবেন। গেটে এমন বাঁধার মুখে পড়েই বুঝা গেল থানার ভেতরে কোন বহিরাগত কিংবা দালাল চক্রের সদস্য আসতে পারবে না।

সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জিয়াউর রহমান পিপিএম আরো জানান, পুলিশ সুপার টি এম মোজাহিদুল ইসলাম বিপিএম এর নির্দেশনায় আমরা কাজ করছি। কোন প্রকার অনিয়ম বা গাফিলতি সয্য করা হবে না বলেও পুলিশ সুপার হুশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন। কোন পুলিশ সদস্য অপরাধ কিংবা অনিয়ম করলে আমাদের আইন অনুযায়ি তার ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে।

সদর মডেল থানার পশ্চিম পাশে রয়েছে নামাজ এর জন্য মসজিদ। থানার সামনে মনমাতানো ও মনোরম ফুলের বাগান। যেখানে হরেক রকমের ফুল গাছ রোপন করা আছে। থানার ঢুকার বায়েই রয়েছে একটি ওয়েটিং রুম। বর্তমানে থানার দ্বিতলের কাজ চলমান রয়েছে। সাধারণ মানুষকে হয়রানী না করে প্রকৃত অপরাধীদের ব্যাপারে যেন কঠোরভাবে নিজ দায়িত্ব পালন করেন পুলিশ সদস্যরা চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ সকলের এটাই প্রত্যাশা।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

ব্রেকিং নিউজঃ