চাঁপাইনবাবগঞ্জে মিনারেল ওয়াটারের নামে দূষিত পানির রমরমা বাণিজ্য

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মিনারেল ওয়াটার বিক্রির নামে প্রতারণা

0

নিজস্ব প্রতিবেদক : ড্রিংকিং ওয়াটার বা মিনারেল ওয়াটার বিক্রির নামে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরসহ পাঁচ উপজেলায় প্রতারনা শুরু করেছে এক শ্রেণির ব্যবসায়ী।

তারা যত্রতত্র একটা ডিপ টিওবয়েল বসিয়ে জরাজীর্ণ জারে অথবা ফুড কোড নেই এমন রঙিন জারে ভরে বাজারজাত করে আসছে। এদের নেই কোন অনুমোদন বিএসটিআই থেকে। লাইসেন্স গ্রহণ ব্যতিত মিনারেল ওয়াটার বিতরণ করা নিষিদ্ধ হলেও তা মানা হচ্ছেনা। এমনটি এরা বিজ্ঞাপন দিয়েও এইসব পানি বিক্রি করছে। তারা যে সব স্থান থেকে এই পানি সরবরাহ করছে তারা পরিবেশ নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর। একই সাথে লাইসেন্স প্রাপ্ত কারখানা সমূহকে ডেলিভারী ভ্যানে লাইসেন্সের সত্যায়িত কপি বহন বাধ্যতামূলক হলেও তা করা হচ্ছেনা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের একাধিক স্থান থেকৈ এইসব পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। অস্বচ্ছ বা রঙিন জারে সরবরাহকৃত ওয়াটার ক্রয় বিক্রয় থেকে বিরত থাকার কথা বলা হলেও প্রশাসনকে বৃদ্ধাআঙ্গুলী দেখিয়ে ভোক্তা সাধারণকে পানি সরবরাহ করে চলেছে।

উপজেলা পর্যায়ে এই অবস্থা আরও করুন ও হৃদয় বিদারক। নাম ঠিকানা লেবেল বিহীন নোংরা জরাজীর্ণ জারে অবাধে বিক্রি ও সরবরাহ করছে এই পানি। এমন স্থানে ডিপ বসিয়েছে যে পরিবেশ বলতে কিছুই নেই। ২০১৮ সালের আইন অনুযায়ী দন্ডনীয় অপরাধ হলেও উপজেলা পর্যায়ে দেখার কেউ নে।ি তাছাড়া এই সব পানিতে কেমিক্যাল মিশানোর কথা থাকলেও তা করা হয় না।

বাংলাদেশ ষ্ট্যান্ডাউস এন্ড টেষ্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই) শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন হলেও জেলা বা উপজেলা পর্যায়ে এই বিভাগের কোন তৎপরতা না থাকায় মিনারেল ওয়াটারের নামে যা বিতরণ করা হচ্ছে তা কেউ কিছু বলার নেই। তাছাড়া শিল্প মন্ত্রণালয়ের কোন ব্যক্তি নেই জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর সহকারি পরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম জানান, ড্রিংকিং ওয়াটার বা মিনারেল ওয়াটার বিক্রির কার্যালয়ে ইতোমধ্যে আমরা অভিযান চালিয়ে জরিমানা করেছি। অভিযোগ পেলে ভোক্তা অধিকার আবারো অভিযান চালাবে।

তিনি আরো জানান, অবৈধভাবে কেউ যদি পানির ব্যবসা করে তাহলে অবশ্যই সে কোম্পানির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

ব্রেকিং নিউজঃ