ইকবালের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা

0

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের ইকবাল হোসেন নামে এক প্রতারকের বিরুদ্ধে বিদেশে লোক পাঠানোর নামে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা আত্মসাতের মামলা হয়েছে।

গত রোববার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন প্রতারক ইকবাল হোসেনের চাচাতো ভাই মো. শহিদুল ইসলাম । একই দিন প্রতারক ইকবালের বিরুদ্ধে বিদেশে লোক পাঠানোর নামে ৪ লাখ ৩০ হাজার হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগটি দায়ের করেছেন পৌর এলাকার চর মোহনপুরের আবুল কালাম।

প্রতারক ইকবাল হোসেন

মামলার বিবরণ ও এলাকাবাসি সূত্রে জানা যায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের মোল্লান গ্রামের মো. আব্দুল লতিবের ছেলে মো. ইকবাল হোসেন দীর্ঘদিন যাবত বিদেশে লোক পাঠানোর নামে দালালি করে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। তারই চাচাতো ভাই মামলার বাদী শহিদুল ইসলামকে বিদেশ পাঠানো জন্য ভিসা দেয়ার নামে প্রায় দুই বছর আগে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। প্রতারক ইকবাল তার বাবা ও মাকে ব্যবহার বিভিন্ন অসহায় পরিবারের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। ভুক্তভোগীরা বছরের পর বছর তার পিছন পিছন ঘুরছেন। বিদেশ পাঠানোর নামে প্রায় অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে নিজ এলাকা ছেড়ে রাজশাহীতে গিয়ে রাজকীয়ভাবে দিন কাটাচ্ছেন প্রতারক ইকবাল হোসাইন। মামলায় ইকবালের বাবা আব্দল লতিব, মা সোনাভান ও বোন শিউললি খাতুন শিল্পিকে আসামী করা হয়েছে।

আবুল কালামের দায়েরকৃত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, তার ছেলেকে কাতার রাষ্ট্রে পাঠানোর জন্য হোটেল ভিসা দেয়ার কথা বলে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। সরলতার সুযোগে প্রতারণার মাধ্যমে ট্যুারিস্ট ভিসা দিয়ে কাতারে পাঠিয়েছেন। ভুক্তভোগী আবুল কালামের ছেলে খেয়ে না খেয়ে বিদেশের মাটিতে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এখনও তার সন্তানের বেঁচে থাকার জন্য প্রতিমাসে থাকা-খাওয়ার খরচের টাকা বিদেশে পাঠাতে হচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ্য করেছেন। ওই অভিযোগে প্রতারক ইকবালের বাবা আব্দুল লতিব ও মা সোনাভানকেও বিবাদি করা হয়েছে।

অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার এসআই নজরুল ইসলাম জানান, ইকবালের বিরুদ্ধে বিদেশ লোক পাঠানোর নামে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তদন্তপূর্বক ৪২০/৪০৬ ধারায় একটি মামলা হয়েছে। এছাড়াও ইকবালের বিরুদ্ধেথ একই কারণে ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এনে লিখিত দিয়েছেন আবুল কালাম নামে এক ব্যাক্তি। মামলার অসামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যহৃত রয়েছে। অভিযোটিও তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি জিয়াউর রহমান পিপিএম জানান, অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তপূর্বক মামলা নেয়া হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।


তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

ব্রেকিং নিউজঃ