অতি সাধারণ এক সাংবাদিকের কথা-১৯

শেখ রেহানার ইন্টারভিউ করা যাবে তা খোদ অ্যাসাইনমেন্ট প্রদানকারী কালাম মাহমুদও নিশ্চিত ছিলেন না। আর মুস্তাফিজুর রহমান বলেছিলেন, এই ছেলে শেখ রেহানার কাছে ঘেঁষতেই পারবে না। কিন্তু এ অ্যাসাইনমেন্টে সফল হবার পর কালাম মাহমুদ নিশ্চিত হলেন, তার চয়েজ যথার্থ। আর মালিক মনে করলেন, এ জিনিস কাজে লাগবে! এব বিষয় পরে জেনেছি। এদিকে, অন্য ঝামেলা চাপলো আমার ওপর। এবার ঝামেলা চাপালেন মালিক মুস্তাফিজুর রহমান নিজে। আমাকে একদিন ডেকে বললেন, ‘আনহে ভাইস প্রেসিডেন্ট ছাবের একটা কাভার করে দেন।’ আমি একটু সতর্ক হলাম। কারণ উটকো চাপ নেয়া আমার ভালো লাগছিল না। আর যতকিছুই…

Read More

অতি সাধারণ এক সাংবাদিকের কথা-১৮

আমরা শেখ রেহানার ফ্ল্যাটের দরজায় দাঁড়িয়ে টিউলিপের সঙ্গে কথা বলতে বলতেই এলো তার বড় ভাই ববি। টিউলিপের চেয়ে বছর দুয়েকের বড় হবে। ববি নেটের দরজা খুলে দিলো। এর মধ্যে শেখ রেহানা চলে এলেন। প্রথমারের মতো বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যার মুখোমুখি হলাম। এর আগে-পরে পেশাগত কারণে বঙ্গবন্ধুর বড় কন্যার মুখোমুখি হয়েছি একাধিকবার। শেখ রেহানা মুখোমুখি প্রথমবার হলাম ১৯৮৭ সালের ৩ মার্চ। তিনি আমাদের নিয়ে গেলেন বসার ঘরে, মাঝারি সাইজের বসার ঘর, কিন্তু বেশ গুছানো। একটু বসুন আসছি- বলে বসার ঘর থেকে বের হতে গিয়ে আবার ঘুরে দাঁড়ালেন শেখ রেহানা। বললেন, কোনো রা-জ-নৈ-তি-ক…

Read More

অতি সাধারণ এক সাংবাদিকের কথা-১৭

শেখ রেহানার ইন্টারভিউ করার অ্যাসাইনমেন্ট আমি নিতে চাইনি। কারণ তার হাইট এবং নিরাপত্তার বিষয়ে সংবেদনশীলতা বিষয়ে ধারণা তখনও ছিল। সাপ্তাহিক জনকথা ও সাপ্তাহিক ঝরণায় কাজ করার সুবাদে এ বিষয়টি অনেকের চেয়ে আমার বিবেচনায় ছিল অনেক বেশি। সে সময় বৈরী রাষ্ট্রে বসবাস করা নিরাপত্তাহীন শেখ রেহানার মুখোমুখী হতে চাইনি। আবার আমার এ বিবেচনার বিষয়টি কালাম মাহমুদকে বলতেও পারছিলাম না। কারণ তিনি কোন মানসিকতার লোক তা আমার জানা ছিল না। আমি এখনও মনে করি ৭৫-এর বেনিফিসারি চক্র নানান পরিচয়ে সব সময়ই সক্রিয় ছিল, নিশ্চয়ই এখনো আছে। আবার কালাম মাহমুদ এ চক্রের না…

Read More

অতি সাধারণ এক সাংবাদিকের কথা-১৬

চিরকাল থাকার বাসনা থাকলেও বছরখানেকের বেশি এরশাদ মজুমদাদের সাপ্তাহিক রিপোর্টারে আমার থাকা হয়নি। এর অর্থ এই নয় যে, আমি ছেড়ে দিয়েছি অথবা আমাকে ছাড়িয়ে দিয়েছে; আর্থিক টানাপোড়েনের কারণে পত্রিকাটিই বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো। সেটি আর চালু হয়েছে বলে আমার জানা নেই। এ হচ্ছে পেশাদার সাংবাদিকের মালিকানায় পত্রিকার পরিণতি। কেবল পত্রিকা বলে কথা নয়, প্রচলিত সরল পথে হেটে কোন প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখা প্রায় ক্ষেত্রেই সম্ভব হয় না। অনেক সময় ঝলমলে সাফল্যের পিছনে থাকে কুৎসিত ক্লেদ। সাপ্তাহিক রিপোর্টার হঠাৎ বন্ধ হলেও আমাকে বেকার হতে হয়নি। অবশ্য এখন পর্যন্ত তিন দিনের বেশি একটানা বেকার…

Read More