সাংবাদিকদের হেয়প্রতিপন্ন করার অধিকার অর্থমন্ত্রীকে কে দিল?

এম আরমান খান জয়, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সকল পেশাজীবীর মধ্যে সাংবাদিকরাই সবচেয়ে বেশী নির্যাতিত, হত্যা, হামলা, নির্যাতন, গ্রেফতার, অহেতুক মামলা ও ভয়াবহ ৫৭ ধারার শিকার। আর এখন অর্থমন্ত্রী যে ভাষায় সাংবাদিকদের হেয়প্রতিপন্ন করে আশালীন বক্তব্য দিয়েছেন তাতে পেশায় সম্মান লাভের অধিকারটুকুও যেন আজ তারা হারাতে বসেছেন। নিত্যদিন জনগণের দুঃখ-দুর্দশা তুলে ধরা সাংবাদিকরা এবার নিজেদের দুঃখের খবর কোথায় ছাপাবেন? দীর্ঘদিন ধরেই সাংবাদিকরা নবম ওয়েজবোর্ড গঠনের দাবি জানিয়ে আসছেন। কারণ, অষ্টম ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ ঘোষণার পর প্রায় পাঁচ বছর অতিক্রান্ত হতে চলেছে। অথচ পাঁচ বছরে সবকিছুরই দাম বেড়েছে। সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ১২০ শতাংশ পর্যন্ত…

Read More

সাংবাদিকের কলমে যখন অসত্য বিবরণ: দালাল বলাই শ্রেয়!

কোচিংবাজ শিক্ষক মাহাবুবুল হক-কে নিয়ে দ্বিতীয় অংশ আজকের বিষয়টা একটু ব্যাতিক্রম । আজ লিখবো সেইসব তথাকথিত কলমধারি সাংবাদিকদের নিয়ে যারা কিনা স্বার্থ হাসিলের মাধ্যমে অন্যায়ের সাথে আপোষ করে অসত্যকে সত্যের চাদরে মুড়ি দেওয়ার বৃথা চেষ্টায় মত্ত । স্থানীয় মুষ্টিমেয় অসৎ সাংবাদিকমহল মাহবুবের টাকার লালসায় তার পক্ষে অবস্থান নিয়ে তাদের পত্রিকায় ভুল নিউজ দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চক্রে লিপ্ত হয়েছে । প্রথমত বলা চলে, ‘চাঁপাই দৃষ্টির’ কথা । বিগত দিনেও সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে । বড় ভাই, #গোপাল_মনির এর ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকেও জানতে পারলাম, “পাপিয়া ম্যাডাম ও অপু সাংবাদিক চাঁপাই দৃষ্টির…

Read More

কোচিংবাজ শিক্ষকের মিথ্যাচার বনাম নির্ভিক সাংবাদিকতা

কুলাঙ্গার শিক্ষক নামে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বেশ সুপরিচিতি পেয়ে বসেছেন মাহাবুবুল হক । বেশ কয়েকদিন থেকেই ভাবছি মাহাবুব স্যার কর্তৃক সাংবাদিক হামলা নিয়ে কিছু লিখব । আজ লিখেই ফেললাম । গত ২৭ এপ্রিল দৈনিক নবচেতনা ও ২৯ এপ্রিল শনিবার দৈনিক শেয়ার বিজ পত্রিকার ১১ পাতায় “চাঁপাইনবাবগঞ্জে লাগামহীন কোচিংবাণিজ্য” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় । মূলত প্রতিবেদনটির মূল উদ্দেশ্য কোন নির্দিষ্ট কোচিং কে ঘিরে ছিলনা । চাঁপাইনবাবগঞ্জের সমস্ত কোচিং বাণিজ্যের বিরুদ্ধে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত । সংবাদ প্রকাশের জের ধরে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ৩০ এপ্রিল দুই সাংবাদিকের উপর অতর্কিত হামলা চালায় এডভান্স কোচিং সেন্টারের পরিচালক…

Read More

অতি সাধারণ এক সাংবাদিকের কথা-২৫

মোজাম্মেল ভাইর কর্মীবান্ধব পাণ্ডিত্যহীন নেতৃত্ব, পত্রিকার স্বল্পমূল্য, গেদু চাচার খোলা চিঠিসহ সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করার কৌশলে সাপ্তাহিক সুগন্ধা অল্প সময়ের মধ্যে পাঠকপ্রিয়তা পায়। তিনি পাঠকের প্রবণতা অনেকের চেয়ে বেশি বুঝতেন এবং ঘটনাপ্রবাহকে যথাসময়ে ক্যাশ করার ক্ষেত্রে সম্ভবত অদ্বিতীয় ছিলেন। এ গুণের ওপর ভর করেই তিনি সাপ্তাহিত সুগন্ধার পাঠক সংখ্যা ইর্ষণীয় পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন মাত্র ছয় মাসের মধ্যে। সেই সময়ের বাস্তবতায় পত্রিকা দাঁড় করানো মোটেই সহজ সাধ্য ছিল না। কারণ, তখন সাধারণের বিবেচনায় দৈনিক পত্রিকা বলতে বুঝাতো দৈনিক বাংলা, আর সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে বিবেচনা করা হতো একমাত্র বিচিত্রাকে। আমাকেই অনেকে প্রশ্ন…

Read More